১ম গল্পটি একজন খেটে খাওয়া মানুষের,একজন রিক্সাচালক,একজন বাবা,একজন স্বামী,একজন ভাই,একজন পরিবারের কর্তা!
সে প্রতিদিনই লাগাতার পরিশ্রম করে!
কেন করে? কি জন্য করে? কিসের আশায় করে? উত্তর একটাই-তার পরিবারের জন্য। তারা শহরের সুউচ্চ দালানকোঠায় থাকেনা,থাকে শহরের কোনো এক জনবহুল বস্তিতে অথবা রাস্তায়! তবুও তাদের জীবন চলে যায় খুব সুখে,শান্তিতে। সারাদিনে মিলে যা রোজগার করে তাতেই তাদের অসম্ভব সুন্দরভাবে চলে যায়! তারা টাকা-পয়সা জমানোর চিন্তা করেনা তাই তারা সুখি। তারা অল্পতেই খুশি থাকে সবসময়। তাকে জিজ্ঞেস করলাম-মামা,আপনার কয় ছেলে মেয়ে? উত্তরে সে বলে- দুই মেয়ে এক ছেলে। তারা সবাই স্কুল পড়ুয়া। আমাদের সংসার টি টিকে আছে আমার উপার্জনের টাকায়। সারাদিন খেটে যা কামাই করি তা দিয়ে আমাদের ঠিকঠাক ভাবে চলে যায় আলহামদুলিল্লাহ।
মধ্যবিত্ত বা উচ্চবিত্তদের নিয়ে কি লিখবো? একটা জিনিস খেয়াল করে দেখলেই বুঝতে পারবেন তারা সবসময়ই আভিজাত্য বাড়ানোর উপায় খুঁজে! কিভাবে টাকা-পয়সা বাড়ানো যায় তার উপায় খুঁজে! রেস্টুরেন্ট গিয়ে ৪০০/৫০০ টাকার বিল দিয়ে ওয়েটারকে ৫০/১০০ টাকা টিপ্স দেয় আবার তারাই রিক্সা,লোকাল বাসে আসার সময় এক টাকা নিয়েও বাসের সুপারভাইজারের সাথে ঝামেলা করে! আমরা এমন কেন ভাই? নামি-দামি রেস্টুরেন্টের ওয়েটাররা শিক্ষিত আর রিক্সাওয়ালা,বাসের সুপারভাইজাররা অশিক্ষিত এজন্যই?
আমরা মানুষ কবে হবো?
আমাদের মনুষ্যত্ব কবে আসবে?
আমাদের বিবেক কবে বিকশিত হবে?
আমরা মানুষ হয়েও কেন বন্য জানোয়ারের মত আচরন করি?
বলতে পারেন কেও?
বনের জানোয়াররা আমাদের দেখে হাসে! কেন জানেন? আমরা মানুষরা এখনো সঙ্গবদ্ধভাবে চলাফেরা করতে শিখিনাই,বনের পশুরা সঙ্গবদ্ধভাবেই জীবন যাপন করে।
নিজেকে নিজে মানুষ বলতেও ঘেন্না হয়!
ছিঃ
[সব বড়লোক এক না,আবার সব গরীব ও এক না]
ধন্যবাদ।

No comments:
Post a Comment