Tuesday, March 31, 2020

০১.০৪.২০ - জাহিদুল আলম জিসান

দেবী তোমার খোঁপায় রক্তজবা ফুল গেঁথে দিয়ে নতজানু হয়ে পুজো দিতে চাই!
তোমার চুলের খোঁপায় রক্তজবা আমার ভালবাসার স্মারক!
গোলাপ দিয়ে ভালবাসা প্রকাশ করার দিন বহু আগেই বিলুপ্তির পথে, রক্তজবা দিয়ে কয়জনেই বা ভালবাসা প্রকাশ করে?
আগলে রেখো জবা, আগলে রাখবো তোমায়। রক্তজবা দিয়েই আমাদের ভালবাসার বর্ষফূর্তি করবো🌺


ভিন্নমত - প্রবাল ভৌমিক

ভিন্নমত অর্থাৎ মতের ভিন্নতা। ভিন্নমত মানেই সমালোচনা বা নিন্দা নয়। প্রচলিত মতের বাইরে যৌক্তিক কোন মত প্রকাশই ভিন্নমত।  প্রকৃতিগতভাবেই মানুষের মাঝে বিভিন্ন ধরনের ভিন্নতা বিদ্যমান। রুচি, আদর্শ, জীবনাচরণ, অভ্যাস, দক্ষতা, সামাজিকতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। কেউ অন্তর্মুখী, কেউ বহির্মুখী, কেউবা আবার উভয়মুখী।  তেমনি মতামত প্রদানের ক্ষেত্রেও বিভিন্ন জন বিভিন্ন ভাবধারা বিভিন্নভভাবে প্রকাশ করেন।

ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্র ও মুক্তচিন্তার অন্যতম ধারক বাহক। স্বৈরাচারী মনোভাব ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতার পথে অন্তরায়। ব্যক্তিগত ভিন্নমত অনেক ক্ষেত্রে সামষ্টিক ভিন্নমতে রূপ নেয়। যুগে যুগে অনেক ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক ভিন্নমতই সমাজে আলোকরশ্মি ফুটিয়েছ।

একসময় মনে করা হতো পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সূর্যসহ অন্যান্য গ্রহ—নক্ষত্রগুলো আবর্তিত হয়। এটি ছিল তখনকার সাধারণ মত কিন্তু এতে ভিন্নমত পোষণ করেছিলেন বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী 'কোপারনিকাস'। তিনিই প্রথম বলেন, পৃথিবী নয়, সূর্যই হলো সৌরজগতের কেন্দ্রবিন্দু। সূর্যই সমগ্র সৌরজগতকে আলোকিত করে, যা ‘কোপারনিকীয় মতবাদ’ নামে পরিচিত। তাঁর এই মতবাদ ছিল প্রচলিত ধর্মবিশ্বাসের সম্পূর্ণ বিরোধী। তাঁর বিপ্লবাত্মক মতবাদ লিপিবদ্ধ হওয়ার পরেও দীর্ঘ প্রায় তেরো বছর অপ্রকাশিত রাখতে হয়। গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৫৪৩ সালে। তাঁর মৃত্যুর মাত্র ঘণ্টাখানেক আগে। কিন্তু তাঁর এই ভিন্নমতই আজ সার্বজনীনভাবে প্রমাণিত ও মহাকাশ গবেষণায় এক বিশাল মাইলফলক।

এথেনীয় শাসকগোষ্ঠীর মতাদর্শে ভিন্নমত পোষণ করে হ্যামলক বিষপানে মৃত্যুবরণ করতে হয় প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিসকে। ক্রিটো তাঁকে কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করলেও সক্রেটিস তা করেননি। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর এতবছর পরেও সক্রেটিসের ভিন্নমত 'বিচার ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা ও ভালোর উদ্দেশ্য নিয়ে সমালোচনা' আজো সমাজ ব্যবস্থায় ভীষণভাবে গ্রহণযোগ্য ও প্রয়োজনীয়।

বঙ্গবন্ধুর ভিন্নমতে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল। শান্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (স.), গৌতম বুদ্ধ, রাজা রামমোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁদের ভিন্নমতেই হয়েছেন স্মরণীয়, বরণীয়। তবে যুগে যুগেই ভিন্নমতাবলম্বীদের হতে হয়েছে বিল্পবী, কখনোবা হতে হয়েছে সমাজচ্যুত, সহ্য করতে হয়েছে উপহাস-নির্যাতন।

গুজব - আরমান মাহমুদ

২৬মার্চ রাত হঠাৎ আচার্য এক পরিস্তিতি।গ্রামের চাচা জয়নাল কাকুর ঘরে হঠাৎ ফোন আসলো।কাকা না থাকায় ফোনটা ধরলেন কাকি। ফোনের ওপার থেকে কাকির বড় বোন  বললেন আমাদের গ্রামে একটা বাঁচ্চা হয়েছে ছেলেটা জন্মের সাথে সাথে মৃত্যু হয়েগিয়েছে।কাকি এপার থেকে বললেন কি বলেন মরিগেছে।ওপারের মানুষটা বললেন হুম মরিগেচে।কাকি বললেন আহারে ছোট শিশু নিষ্পাম মরিগেলো। ফোনের ওপারের মানুষটা বললেন ছেলেটা মরার আগে করোনা রোগ থেকে বাঁচার উপায় বলেগেচেন।এই ছেলেটাকে আল্লাহ পাঠাইছে মানুষকে এই রোগথেকে মুক্তির জন্য।ছেলেটা মরার আগে বলেগেছে রং চা খাইতে চিনি ছাড়া,কালো জিরা দিয়ে আর তিন ডোক খাইতে কইছে।কাকি বললেন  তাহলেতো বুবু ছেলেটার দাফনের আগে খাইতে হবে মনে হয়।কাকির বোন বললেন হুম দাফনের আগে খাইতে হবে।ফোনটা রেখে কাকি পাশের বাড়িতে চলে গেলেন সেই রাত সাড়ে ১২ টায় দিকে। সেখানে গিয়ে বললেন ভাবি আমার বড় বোনের ননদের জামাইয়ের গ্রামে একটা ছেলে জন্ম হয়ে ছেলেটা রংচা খাইতে বলচে চিনি ছাড়া,জিরা দিয়ে, তিন ডোক এটা বলি ছেলেটা মারাগেলো। দাফনের আগে খাইতে বলছে খেলে করোনা রোগ থেকে মুক্তি পাইবেন।ভাবি দিল তার বাপের বাড়ি ফোন তিনি তার ভাইয়ের বউকে বললেন আপা আমাদের গ্রামের জয়নাল কাকার বউ বড় বোনের ননদের জামাইয়ের গ্রামে একটা ছেলে হয়ে মারা গেছে ছেলেটা করোনা রোগ থেকে বাঁচার জন্য রংচা খাইতে বলচে চিনি ছাড়া,জিরা দিয়ে এবং তিন ডোক। কাকির ভাইয়ের বউ বললেন আপা চিন্তা কইরেন না আমি আমার এলাকার সবাইরে জানাইতাচি।ভাবির ভাইয়ের বউ এলাকায় সবার বাড়িতে গিয়ে গিয়ে বললেন রং খাইতে তার জামাইয়ের বোনের এলাকায় ছেলে একটা জন্ম হয়ে বলেগেছেন দাফনের আগে খেতে। এতে একবাপের বাড়ি থেকে আরেক বাপের বাড়ি ফোন যেতে যেতে পুরূ বাংলাদেশে ১২ টার সময় সকলের ঘরে ঘরে রংচা খাওয়া চললো।মনে হয় পুরা দেশটা রংচা ময় হয়েগেছে।

আসলে  কাকির বড় বোনটাও জানতো ছেলেটার জন্ম কোথায় হয়েছে।কাকির বড়বোনও আরেকজনের থেকে শুনে বলেছিলেন। এটি সম্পূর্ণ গুজব ছিলো। কেউ জানেনা কোথায় জন্মহয়েছে।আমরা কোন কিছু না বুঝে ওইটা নিয়ে বেশি লাপাই। গুজব থেকে বিরত থাকুন, গুজব বন্ধ করুন।
গল্প:গুজব।
লেখক:  Arman Mahmud

এপ্রিল ০১, ২০১৮ - জিতু

তুমি আর আমি
পেরুবো মরুভূমি
পেরিয়ে পৌঁছে যাবো
যেথায় রঙের বৃষ্টি নামে...

যেথায় আকাশ ঘামে
মেঘের গানে
ছুটবো দুজনে
দুরন্ত মনে...

যেথায় দেয়াল ভাঙে
ক্লান্তি হার মানে
মধ্যরাতের চাঁদেরহাটে
কিনবো জোৎস্না
প্রেমের দামে...

জিতু
এপ্রিল ০১ ২০১৮

6:00pm - তানভীর চৌধুরী


😭😭আমি আর নেই😭😭 - সরওয়ার উদ্দিন মুন্না


দিন গুলো খুবই আনন্দে অতিবাহিত হচ্ছিলো। সবার সাথে মিলে মিশে পথ চলা।বেশ ভালোই কাটছিলো দিন। কিন্তু, কেন জানি - নিজের ও জানতে পরিবার পরিজন,,এমন কি কাছের মানুষ গুলোও বিষাক্ত মনে হচ্ছিলো।  কারো কথাই ভালো লাগছিলো না।। যে যেটাই বলুক খুব বকা দিতাম। রাতে ঘুমিয়ে পরার আগে ডিনার করতে ডাক আসে। খাবোনা বলে রিপ্লাই দিলাম।  কেন জানি চোখের এক কোণে  জল এসে বিন্দু বিন্দু করে পড়ছিলো।  ফ্যামিলির সবাই বেশ আতংকে আছে আমায় নিয়ে। হঠাৎ কেন আমার এমন পরিবর্তন??  সব টেনশান বাদ দিয়ে শুয়ে পড়লাম।  গভীর ঘুমে বিবর আমি।।

 কখন যে সকাল হল তা ও জানিনা।
ঘুম ভাঙতে শুনি কান্নার আওয়াজ।.
 কি ব্যাপার? কে বা কারা কান্না করতেছে?? কেনই বা কান্না করবে।।। আমি উঠে গেলাম। দেখি আমার পরিবারের লোক,, গ্রামের লোক জোড় হয়ে  আছে। কেউ গরম পানি কেউ বরই পাতা এনে জমা করল। দেখতে গেলাম কাকে ঘিরে আছে ওরা? দেখেই চমকে গেলাম।। হুবাহু আমার চেহারা। কিন্তু ও কে। এখানে কি করে এল? আমি মা,,,বাবা,,ভাই,,বোন কে জিজ্ঞেস করলাম।।কেউই আমার কথার জবাব দিচ্ছেনা কেন?? ঠিক এভাবে দুপুর হয়ে গেল। গোসল করিয়ে দাপন করতে নিয়ে গেল।।কিন্তু ও কে।। কেনই বা আমার আপন জন রা কানতেছে।কেউ আমার ডাকে সাড়া দেয়না।।।   হঠাৎ মায়ের মুখে শুনি যে,,,কান্নার স্বরে মিশ্রিত আওয়াজ,,,আমার ছেলে এভাবে চলে যাবে ভাবতে পারিনি,,তখন নিজেকে আর কন্ট্রোল করতে পারলাম না..চোখের জলে বুক বাসাই।।😭😭😭

তখনই মনে হল,, হুম ওইটা ছিলাম আমি।  ওইটা আমারই লাশ,, তখন মনে হল "আমি আর নেই"

বিঃদ্রঃ নিজের চিন্তা থেকে লিখাম।। ভালো লাগলে জানাবেন।আরো ভালো করার চেষ্টা করব।। ধন্যবাদ

ঐ দূর পাহাড়ের গভীরে , খুঁজে নিও আমি হারালে...। Pc: Af aziz


হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ — এই হল তার বুলি। দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া, কাঁদে সে দু হাত তুলি। pc: Sowkat Akbor


৩১.০৩.২০ - আরেফীন ফাহিম

দুপুর ২টা বেজে ১০ মিনিট,

অলসতার সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করে পুকুরঘাটে দুই পা পানির মধ্যে ছড়িয়ে খালি গায়ে বসে আছি। সূর্যের প্রখর রৌদ একেবারে চামড়ায় এসে চুমু খাচ্ছে। শরীরের নিচের অংশ শীতল পানিতে ভিজানো আর উপরের অংশ রৌদে পুড়ে কালো বর্ণ ধারণ করছে। এতে অবশ্য আমার আনন্দ লাগছে একসাথে দুই ধরণের তাপমাত্রা একই সময়ে অনুভব করার মধ্যে একটা মজা পাচ্ছি।

গ্রীষ্মের সময়টায় গ্রামের ছেলেপেলেদের সবচেয়ে প্রিয় স্থানের একটি হলো এই পুকুর। ঘন্টার পর ঘন্টা এই পুকুরেই কাটিয়ে দেয় গোসল করতে করতে। গ্রীষ্মকালীন সময়ে গ্রামের ছেলেপেলেদের কাছে গোসল করাটা এক ধরণের উৎসবের মতই। এইসব ভাবতে ভাবতে মনে পড়লো অনেকদিন যাবৎ সময় নিয়ে গোসল করা হয় না পুকুরে। শীতকাল বলুন আর গ্রীষ্মকাল বলুন কোনোমতে একটা ডুব নিয়ে উঠতে পারলেই গোসল শেষ। ছোট বেলায় এই পুকুরেই কত রকমের খেলা খেলেছি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সাঁতার প্রতিযোগিতা এবং এক নিশ্বাসে পানি নিচে কে কতক্ষণ থাকতে পারে। সময়ে বদলাচ্ছে এখন আর উৎসব করে গোসল করা হয় না।

অলসতা কাটিয়ে একটা ঝাপ দিলাম পুকুরে। শরীরটা একেবারে ছেড়ে দিয়ে মাথাটা পানির ভিতর ডুবিয়ে পুকুরে ভাসছি। কানের কাছে ব্যাঙের প্রচুর শব্দ শুনতে পারছি। ঝিঁঝিঁ পোকারা যেভাবে শব্দ করে ঘুরে বেড়ায় ঠিক যেইভাবেই ব্যাঙের দলগুলো শব্দ করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। ব্যাঙদের পানির ঝিঁঝিঁ পোকা বলা যেতে পারে৷ ব্যাঙদের জীবন অনেক সুন্দর হয় কারণ তারা উভচর প্রাণী। স্থলে এবং জলে দুই জায়গা জুড়েই এদের বসবাস আছে। ব্যাঙদের সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো এদের ছাতা এবং এই ছাতা সম্পর্কে আমার তেমন একটা ধারণা নেই। দেখতে ছাতার মত বলেই বোধহয় এদের ছাতা বলা হয় কিন্তু ব্যাঙের ছাতা বলার কারণ আমার জানা নেই। নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছিলো পানি নিচে ডুব দিয়ে থাকতে থাকতে বের হয়ে আসলাম চিন্তা এবং পানির নিচ থেকে। সাঁতার কাটা অনেক পরিশ্রমের কাজ তারপর ঝাপ যেহেতু দিয়ে দিয়েছি এখন তো সাঁতার কেটেই পাড়ে যেতে হবে নয়তো ডুবে মরতে হবে।

সিঁড়িতে এসে অলসতা ভর করেছে ভিজে গায়ে আবার কিছুক্ষণ বসে রইলাম। হঠাৎ মনে পড়লো একসময় পুকুর পাড়ে খুব আড্ডা দিতাম। আড্ডার জন্যে পুকুর পাড় খুব সুন্দর একটা স্থান কারণ আশেপাশে প্রচুর গাছ থাকে। আর বসন্তকালে পুকুরপাড়ের মত সুন্দর স্থান খুব কম দেখেছি। দুপুরের সময়টা এই পুকুরপাড়ে ছায়ার নিচে বাতাস খেতে খেতে কাটিয়ে দেওয়ার মত সুখ সবার একবার হলেও ভোগ করা উচিত। এইসব ভাবতে ভাবতে ভিজে শরীরটা রৌদের তাপে শুকিয়ে গেছে।

পুকুরঘাট থেকে উঠে গা মুছতে মুছতে পুকুরটার চারপাশ একবার চোখ বুলিয়ে নিলাম হঠাৎ মনে পড়ে গেলো এখন তো বসন্তের খোঁজ সহজে পাওয়াই যায় না। গ্রীষ্মের পর বর্ষা আর এরপর একটু সুযোগ পেলে শীতকাল দেখা যায়। বাকীদের দেখা খুব একটা পাওয়া যায় না। আমার আফসোস হলো যারা বসন্তের পুকুরপাড় উপভোগ করেনি তাদের জন্যে।

বসন্তের নেই খোঁজ,
পুকুরপাড়টাও অপেক্ষায় আছে রোজ।

No Editing Just Click 📸 রাজিব পাল


শুভ অপরাহ্ন😑 - MD Mahmudul Hasan


আরেকবার চলো ছুটে যাই আধার রঙের আলোয়! - সাব্বির আহমেদ শাকিল


৩১.০৩.২০ - অবশেষে আমি

যে শহরে একাধিক  ভালোবাসার দাবিদার থাকবে না........
যে শহরে ভালোবেসে কাউকে হারানোর ভয় ও থাকবে না......
যে শহরে কথার গুলিতে কারো হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত হবে না......
যে শহরে  কে ঠিক - ভুল প্রমাণ করতে করতে ইতি টানবে  না কোন সম্পর্কের.......
যেখানে ভলোবাসার মানুষের অভিমান নিয়ে কটাক্ষ করা হবে না......
যেখানে অপমানে আঘাতে সব কিছু আজ থেকে শেষ বলে প্রতিটা দিন মৃত্যু যন্ত্রণায় ভুগতে হবে না........
        ...............সেই জায়গায় গিয়ে স্বস্তির একটু নিঃশ্বাস ফেলতে চাই!
      হোক সেটা জীবনের শেষ নিঃশ্বাস........
            যে জায়গায় কোন চাওয়া-পাওয়া থাকলো না......
প্রকৃত স্বস্তি তে সেখানেই.........!

মৃত্যু - ইমরুন হোসেন সাকিব

জীবন একটা গল্পের ন্যয়। গল্পের শুরুতে যেমন ভূমিকা বা সূচনা দিয়ে শুরু হয় ঠিক জীবনটাও ।

গল্পটা যেমন কোনো একটা জিনিস নিয়ে জল্পনা কল্পনা করে তেমনটা আমাদের জীবন ও করে। গল্পটা যেভাবে রং মাখে, যেভাবে একটা কাহিনী থেকে অন্য একটা কাহিনীর জন্ম দেয় তদ্রূপ জীবন ও একটা গল্প থেকে অন্য গল্পের জন্ম দেয়। জীবন কে কারো সাথে ব্যাখ্যা করা কঠিন। জীবনের বিপরীত জীবন।
গল্পের শেষটা আর জীবনের শেষটা ও উপসংহার (মৃত্যু)দিয়ে।।

#মৃত্যু. 🌺

স্বজাত শত্রু - সাইফুল ইসলাম নাঈম

মানুষের কোন শত্রু নাই মানুষ ছাড়া
লক্ষ কোটি গবেষণা হচ্ছে, হবে-
মানুষরে ক্যামনে যায় মারা...!

#স্বজাত_শত্রু

Monday, March 30, 2020

৩১.০৩.২০- জাহিদুল আলম জিসান

আকাশে ছোট্ট কৃত্রিম পাখি যা মানুষ নামক প্রাকৃতিক প্রানীগুলোকে আনা নেওয়ার কাজ করে।
এই পাখিটার প্রফিট কি?


পালং শাক - এম এ হান্নান

আজ কেমন জানি খুব ইচ্ছা করতেছে পালং শাক দিয়ে ভাত খেতে কিন্তু ৩০ টাকা দিয়ে যে পালং শাক কিনবো সেই টাকাও অামার কাছে এখন নাই।খুব লজ্জা লাগতেছে অামার ছোট ছেলের কাছে টাকা চাইতে।একসময় আমি অনেক টাকা ইনকাম করেছি ছেলেরা ঘুম থেকে উঠার আগে অামার স্ত্রী নুর জাহানের হাতে টাকা দিয়ে রাখতাম যাতে করে ছেলেরা স্কুলে যাওয়ার সময় টাকা নিয়ে যায়।অনেকটা লজ্জা নিয়ে ছোট ছেলের কাছে গিয়ে বলি-
.
_পালং শাক খেতে ইচ্ছা করতেছে, পালং শাক কিনতে বাজারে যাবো থাকলে কিছু টাকা দেয়।
_আমার কাছে তো ভাংতি টাকা নাই বাবা।
.
ছেলের মুখ থেকে এই কথা শুনে খুব লজ্জা লাগছে।লজ্জা আর দ্বিতীয়বার টাকা চায় নাই। মাথা নিচু করে বাহিরে চলে গেলাম অাকাশের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসি দিয়ে আমি নিজে নিজেকে বলি-
.
_কার জন্য জীবনে এত কষ্ট করেছি যার কাছে টাকা চাইতে গেলে ভাংতি নাই এই কথা শুনতে হয়।
.
অামার ঘরে ফ্রিজ ভরা মাছ,হাসের মাংস সব আমার ছেলের ইচ্ছা কিনা, এগুলো থাকার পরেও অামার খুব ইচ্ছা পালং শাক দিয়ে ভাত খাবো কিন্তু টাকার জন্য সেই ইচ্ছাটা পূরণ হলো না।অামার অবস্থা আগে এমন ছিলো না অনেক সুখের ছিলো, কিন্তু এই সুখ তো আর সবসময় থাকে না।বড় ছেলে জব করতো লোভে পড়ে গেলো প্রবাসে সেখানে কিছুদিন থেকে চলে আসছে, গেলো অামার অনেকগুলো টাকা।ছোট ছেলেও প্রবাসে যাওয়ার সময় অনেক টাকা খরচ হয় তখন।অাদরের কন্যা অবন্তী।অবন্তীর বিয়েতে অনেক টাকা খরচ করি অামি।অামার যত জমা টাকা ছিলো সব ছেলে সন্তানের জন্য খরচ করি। অারো অনেকগুলো টাকা ঋণ ছিলো সেই টাকা পরিশোধ করার আগে অামার ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায়।
.
ছেলে সন্তানের সুখের জন্য যে টাকা ঋণ করেছি  তাদের মধ্যেয়ে একজন পাওনা টাকার জন্য কিছুদিন আগে অামার কাছে আসে নাম তার সিরাজ।সিরাজ ভাই অনেক ভালো মানুষ উনি, অনেকদিন হয়ে গেলো তার টাকাগুলো দিয় নাই।মুচকি হাসি দিয়ে সিরাজ ভাইকে বলি"- দুইদিন পরে টাকা দিয়ে দিবো
.
 টাকার চিন্তায় অামি মানুষিক ভাবে অসুস্থ হয়ে যাই অনেক চিন্তার পরে সিন্ধান্ত নিলাম- জমি বিক্রি করে দিবো।কিন্তু হঠাৎ এই জমি কে কিনবে?দুদিনের মধ্যেয়ে সিরাজ ভাইয়ের টাকা দিতে হবে এই চিন্তায় নিয়ে অামি অস্থির।অামার অস্থিরতা দেখে অামার ছেলে সামির বলে-
.
_বাবা জমি আমি কিনবো।
.
অামার ছেলের মুখে এই কথা শুনে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছি।ছেলের কাছে টাকা আছে,কিন্তু টাকা চাইলে দিবে না আমি জানি। কিন্তু এটা কখনো চিন্তা করি নাই-ঋণ পরিশোধ করতে নিজের ছেলের কাছে জমি বিক্রি করা লাগবে।মুচকি হাসি দিয়ে অামি বলি-
.
_আচ্ছা সিরাজের টাকা দিয়ে দিস,জমি তোর নামে হয়ে যাবে।
.
অামার ছেলেদের সব ইচ্ছা আমি পূরণ করেছি কিন্তু ছেলেরা কখনো আমার ইচ্ছা পূরণ করতে পারে নাই। আজ ও ঋণের টাকা দেওয়ার জন্য ছেলের কাছে জমি বিক্রি করা লাগে।ছোট ছেলে নিজ থেকে বিয়ে করেছে আমি হাসিমুখে মেনে নিছি।সংসার করতে গেলে বৌ শাশুড়ি অনেক কিছু হয় তাই বলে এই না বৌয়ের কথা শুনে মায়ের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দেয়।এক ঘরে থাকে অথচ অামার ছেলে সামির তার মায়ের সাথে আজ তিন বছর ধরে কথা বলে না।আজ ছেলেদের কাছে টাকা আছে শাসন ও করতে গেলে ভয় লাগে।যদি বলে-
.
_বাড়ি থেকে বাহির হয়ে যান এই বাড়ি আমার।
.
হেলান দিয়ে চেয়ারে বসে আছি ইদানিং শরীর কেনো জানি বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ে।হঠাৎ আমার কাঁদে অালতো করে কে জানি হাত রাখে,পিছন ফিরে তাকিয়ে দেখি অামার স্ত্রী নুর জাহান।৪০ বছর সংসার করতেছে সুখে দুঃখে অামার পাশে ছিলো।নুর জাহান আমার হাতে ১০০ টাকা দিয়ে বলে-
.
_বাজার গিয়ে পালং শাক নিয়ে আসেন।
_নুর জাহান তুমি টাকা কই পাইছো?
_আমার কাছে ছিলো,দুপুর হয়ে যাচ্ছে তাড়াতাড়ি বাজার থেকে পালং শাক নিয়ে অাসেন আজ আমি নিজের হাতে আপনার জন্য পালং শাক রান্না করবো।
.

অনুগল্প.. "পালং শাক"

তুমি রবে নীরবে, আমারি হৃদয়ে - জাহিদুল আলম জিসান



তোমাকে ভালোবেসে দিয়েছি এই হৃদয়,
বিনিময়ে তুমি আমাকে কি দিয়েছ...?
দিয়েছ শুধু বুক ভরা বেদনা,
হৃদয় ভরা যন্ত্রনা।
তারপর ও কেন ছাড়তে পারিনা তোমাকে...?
কেন মুছতে পারিনা এই হৃদয় থেকে তোমাকে...?
তার মানে আমি এখনো তোমায় ভালোবাসি।

যখন আমি চাঁদনি রাতে দাঁড়াই একা,
এ মন পেতে চায় শুধু তোমার দেখা।
আমার কথা কি একটু ও মনে পড়েনা তোমার...?
আজ আমি অসহায় এক প্রেমিক,
জানিনা আমার জীবনের শেষ হবে যে কোথায়...?
তারপর ও আমি তোমায় ভালোবেসে যাব চিরকাল।
তুমি রবে আমারি মাঝে মনের মানুষ হয়ে,
তুমি রবে আমারি মাঝে,মন মাতানো মহা প্রতিক হয়ে।

তুমি রবে নীরবে,
আমারি হৃদয়ে।

৩১.০৩.২০ - নিলয়


ঝরা পাতার
বৃষ্টিতে ভিজবো বলে
শহর ছেড়ে কিছু মাইল দূরে
কোন এক মকরশালে
আমি ছুটে যাই
শুধু তোমার‌ই টানে
যতদূর চোখ যায়
যতদূর স্মৃতি যায়
তুমি আছো সবখানে
মুঠো খুলে দেখি
হঠাৎ তুমি নেই
আমার আকাশ-নদী-ভূমি নেই..

ছবি তুলতে ভালোবাসি 📸 - MD Mahmudul Hasan








৩১.০৩.২০ - নাহিদুল নোবেল

আমাকে নিয়ে চিন্তাগুলো যেদিন থেকে তোমার কপাল রেখা ভাঁজ করতে পারবে না,ঠিক সেদিন থেকেই তুমি আমার না।😥

"স্কুল জীবনের শিক্ষা" - সরওয়ার উদ্দিন মুন্না


স্কুল জীবনে থাকতে বুঝিনি শিক্ষক গণ কেন এত কথা বলেন?  তখন একটা ভালো কথা বললে ও সেইটা খারাপ লাগতো। কারণ তো একটাই। তখন তো পড়ালেখা মানে জাস্ট টাইম পাস। কে পড়ালেখা করে।।যাও করি শুধু স্যারের ভয়ে একটু করতাম।
স্কুল থেকে বিদায় হওয়ার আগ মুহূর্তে কিছু একটা উপহার দেওয়ার জন্য সবাই একমত। খুশি হলো সবাই।  কিন্তু শিক্ষা জীবনে সব সহপাঠী এক নয়। কিছু দ্বি-মত ও থাকে।।  তখন আমায় আমার খুব কাছের একজন শিক্ষক ডেকে বললেন শুনো,,,  " নিজে যা করবা ভেবে করবা। আর যখন দেখতেছো ভালো কাজে কেউ বাঁধা দিচ্ছে, তখন তাদের এভোয়েড করে নিজে কে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করবা। একদিন তুমি সফল হবা। "
সেই থেকে আলহামদুলিল্লাহ,,  প্রতিটা কাজের উদ্যোগে ঐ স্যারের কথাটা স্মরণ হয়।। খুব ভাল বাসি স্যার আপনাকে।।আজও প্রকাশ করতে পারিনি।
তাই আজ আমি ও বলি স্কুল জীবনের শিক্ষাই শ্রেষ্ঠ শিক্ষা।

বিঃদ্রঃ ভালো করে সাজিয়ে লিখতে পারলাম না।। দোয়া করবেন আমার শিক্ষক গণ  এর জন্য। এবং আমার জন্য ও।
লিখায় কোনো ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

৩১.০৩.২০ - এএইচ হৃদয়


হাহাকার - এএইচ হৃদয়

শত ব্যস্তময় শহর আজ নিশ্চুপ
কোলাহল আজ ল্যাম্পপোস্টের নিচে।
ধূলোয় ভর্তি কাকের শহর
আজ যেন গঙ্গায় স্মান করেছে।

ধরিত্রীর কোন মহানায়ক আজ নেই
যে থামাবে এই নিস্তব্ধতা,আর
ভেঙ্গে যাওয়া কাঁচের বোকা বাক্সকে
কেউ মিছে জোড়া লাগানোর ব্যর্থ চেষ্টাও করছে না


~হৃদয়

বাঙালির ঝগড়া বিষয়ক রম্য রচনা - সাইফুল ইসলাম নাঈম


কিছু পথ হাটিয়া বাঙালির ঝগড়ার তত্ত্ব পাইয়াছি। আপনাদের সামনে উপস্থাপনের এক ক্ষুদ্র প্রয়াসঃ

বাঙালিরা ঝগড়া শুরু করেন গালি দিয়া..!!
ইহারা স্ত্রী, মাসি, পিসি দিয়া শুরু করিয়া, এর বংশানুক্রমের শেষ অবধি দেখিয়া ছাড়েন।
মানে যতক নিকৃষ্ট গালি দিয়া তাহাকে সর্বোচ্চ পরিমাণে চেতাইয়্যা দেওয়া যায়।
অর্থাৎ ক্রোধ বাড়িয়ে দেওয়া যায়।

স্ত্রী মাসি পিসি কে গঙ্গা জলে স্নান করাইয়্যা, তাহারা এইবার চড়, থাপ্পড়, লাথি, এবং কানের নিচে মারিবেন বলিয়া শুরু করিয়া নাকের বকসি ফাটানোতে গিয়া থামিবেন।
আবার কেউ কেউ এই পর্যায়ে বুলি দিয়া গোপন বিচি ফাটিয়াও থাকেন লাথি মারিয়া।

এরপর হেরে যাওয়া পক্ষ বা তুলনামূলক অত্যাধিক  ক্রোধান্বিত পক্ষটি শুরু পুনঃ আরম্ভ করিবেন-
ঠিক কোন পদার্থ দ্বারা শত্রুপক্ষকে আঘাত করিবার কথা বলিলে, এ পর্যায়ে জয় লাভ সম্ভব।

ঝগড়ার এই পর্যায়ে জুতা, সেন্ডেল দিয়া শুরু করিলেও, কিছু বাদে সেই পদার্থ ছিড়িয়া শুরু হয়।
এই যেমন তোরে হাড়া জোতা দি পিডুম, ভাঙ্গা লাডি দি হিডি আঙ্গার করি ফালমু সহ অসংখ্যা উদাহরণ যা এখন আপনার মাথায় ঘুরতেছে।

এরও কিছু বাদে সেই ছেড়া "জুতা, সেন্ডেলে "বিভিন্ন প্রাণীর মলমূত্র মাখিয়া মারিবেন বলিয়া জয়লাভ করিবার চেষ্টা করিয়া থাকেন। শুরুটা থুথু মাখিয়া মারিবেন বলিলেও
মধ্য উপসংহারে  শলাবিহিন ঝাড়ু অবধি পৌছায়।
মানে ঠুন্ডা ঝাড়ু মারিবার কথা বলিয়া যে পক্ষ হারিয়া যাইবেন।,
তিনি এবার শুরু করিবেন-
ঠিক কোন কোন জায়গায় কি পদার্থ দিয়া মারিলে,  বেশি অপমান বোধ বা ক্রোধ বাড়ানো যায়।
তাহার শেষ দেখিয়া ছাড়িবেন।

বাঙালি নারীরা ঝগড়ার এই পর্যায়ে আসিলে-
অতীতের সকল কীর্তির গোপন রহস্য উন্মোচন করিয়া থাকেন। এই যেমন কার সাথে কোথায় গেলো থেকে শুরু করিয়া বিছানা অবধি এমনকি যাহা ঘটে নাই তাহার চেয়ে অধিক রটাইয়্যা সন্তান পর্যন্ত বাহির করিয়া থাকেন

পক্ষান্তরে পরুষ এই পর্যায় পর্যন্ত আসিলে-
গোপন রহস্য উন্মোচন না করিয়া একে অন্যের কাছে আসিয়া গলাগলিতে লিপ্ত হন।
গলাগলি বলিয়াছি- কারণ ইহাদের  মারাপিট কে এই শব্দ ব্যাতিত তুলনা সম্ভবপর নহে।

কারণ তাহারা চট করিয়া কাছেও আসে না, কিছুক্ষণ  হাত পা ছোড়াছুড়ি করিবার পরে একে অন্যের বগলে ঢুকিয়া পরেন।  এবং সর্বশেষ মাটিতে লুটিয়া পড়েন।

তবে নারী হইলেই একটু বিপদ বহিয়া যায়।
ঝড়ার এ পর্যায়ে চুলোচুলি আসিয়া থাকেন। এবং এর বেশি কিছু হয় না। বরং দিনভর একে অন্যের ইতিহাস বলিয়া ব্যাঙ্গ করিতে থাকেন।

তবে বাঙালি নারীর ঝগড়ার এই স্টেজে  একে অন্যের কাপড় খুলিয়া পর্যন্ত লইয়্যা থাকেন। 
এই কার্য সম্পাদন না হওয়া  অবধি তাহাদের থামাইবার সাধ্য কাহারো নাই।
চুল ছিড়িয়া হাতে লইবার পরেও কাপড়ের কিছু অংশ হাতে লইয়্যা দেহ উন্মোচন এর সাথে কিছু ইজ্জত এক অন্যের হাতে লইয়্যা ক্ষান্ত হন।

এরপরেও
তাহারা বোধ করেন না
ইজ্জত একে অন্যের হাতে লইলেও,
তথাপি দুয়ের ইজ্জত মাটিতে লুটিয়া পড়িয়া রহিয়াছে বাঙালির মতন।

অবশ্যই ভুল ত্রুটি মার্জনিয়

জীবন - সাব্বির আহমেদ শাকিল

একটা হাসিখুশি জীবনের মাঝখানে
হঠাৎ করে মানুষটার চেহারা পাল্টে যাবে,
বাস্তবিকতার পাশবিক আঘাতে
মানুষটা দিনদিন পাল্টায়,
প্রতি মূহুর্ত,সেকেন্ড,মিনিট অন্তর অন্তর পাল্টায়,তার অভ্যেস,স্বপ্ন,চাওয়া নষ্ট করে দেয়!
সিরিয়াস টাইপ একটা চেহারা নিয়ে মানুষটা ঘুরে বেড়ায়,হাজারটা প্রশ্নের  সম্মুখীন হয়েও ওই সিরিয়াস মার্কা চেহারা নিয়া বসে থাকে,কেউ কেউ এটার উপর ই মহাবিরক্ত হয়ে খিস্তি করে,কি মজার ব্যাপার!
ইমোশন নিয়ে পড়ে থাকা মানুষটা টাকামুখী হয়,
ইমোশন থেকে টাকা গুনতে বেশি ভালোবাসে,
ভেতরকার অবস্থা বুঝানোর সময় তার থাকেনাহ,
এক বিন্দুও নাহ!

#জীবন 🌺

৩০.০৩.২০ - অদ্ভুত অ্যাশ কিং

ঠোঁটের কোণে মুচকি হাসিটা মনের ভিতরে জমে থাকা কষ্টের নিরব উপস্থাপক......!!!

আমাদের জীবনে ব্যর্থতার সবচেয়ে বড় কারণ confusion... কোনো কাজ আমরা করবো কী করবোনা, তা ভাবতে ভাবতেই ওই কাজের সুযোগটাই চলে যায়।।।। তাই কোন কিছু করার সুযোগ থাকলে দ্বন্ধে না ভোগায় উচিত।।।
""""confusion কে না বলি,
confidence এ চলি....."""

৩০.০৩.২০ - ইমরুন হোসেন সাকিব

কাউকে এমন প্রতিশ্রুতি দিবেন না যেটা সে পালন করতে ব্যর্থ। কারণ আপনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়ে সে হয়তে স্বার্থের কাছে বলি হয়ে গেছে।

কাউকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখানোর চাইতে তাকে সত্যটা বলে দেওয়া ভালো। হইতো আপনার দেয়া সত্য তার জন্য মেনে নিতে কষ্ট হবে। কিন্তু মিথ্যা বলে তাকে ধোকা দেওয়া এইটা আরো মারাত্মক ভয়ঙ্কর। যেটার প্রভাব সে হাড়ে হাড়ে টের পারে। এবং আপনি তার কাছে প্রতারক হয়ে যাবেন। আপনার এই রুপটা(চেহারা) দেখে সে মনে করবে রুপকর্থা ডাইনিটা এতোদিন আপনার সাথে কিছু কাল্পনিক অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত ছিলো। যেটা সে কখনো মেনে নিতে পারবে না।

আপনি কারো কাছে ধোকা খেয়ে ঠিক আপনি আরেকজনকে দেয়া কষ্টা বুজবেন। আপনি তখন নিজেকে পৃথিবীর সবচাইতে বড় পাপী মনে করবেন। যে পাপ অাপনার পুরো জীবনটা বিষাদে পরিনত করবে।।

ভাগশেষ (আংশিক) - সাইফুল ইসলাম নাঈম

অতীত-ভবিষ্যতের দৌরাত্ম্যই বর্তমান
চাওয়া পাওয়ার দাঁড়িপাল্লা-
হয়না কভু সমানে সমান।


#ভং_বিড়াল

৩০.০৩.২০ (২) - তৌহিদুল ইসলাম নিশান

হারানোর যন্ত্রনা নিয়ে মরে যাওয়া মানুষগুলোই সবার সামনে নানান ভাবে হাসে।বোঝাতে চায় তারা, তারা অনেক ভালোই আছে।একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন তাদের হাসির পেছনের গল্পটা।আপনি দেখবেন তারা হাসতে হাসতেই হারিয়ে যাবে অন্য এক জগতে। হুম হ্যা বলে আপনার কথার উত্তর দেবে হঠাৎ  হঠাৎ। মাঝে মধ্যে খুব অল্প সময় আপনাকে দিয়ে তারা চলে যেতে চাইবে।তারা চায় তারা একাই থাকুক।আপনি খেয়াল করলে দেখবেন তারা অন্যদের থেকে গোছানো। তারা এমন অভিনয়ে অভিনেতা যা আমরা কল্পনাও করি না।আমরা ভাবি তারা অনেক ভালো আছে। তারা আপনার কাছে ভালো থাকলেও ভালো নেই নিজের কাছে। তারা আধারেই তাদের সত্যিকার রুপে ফিরে আসে।আর আপনার কাছে তারা হেসেই বেড়ায়😊😊😊😊😊

আমার রাতের হারিকেন..........শামসুল আলম রিপন


মারজুক রাসেল - প্রবাল ভৌমিক

হালের জনপ্রিয় টিভি সিরিয়াল 'ব্যাচেলর পয়েন্ট' এর 'পাশা ভাই'কে চিনে না এমন তরুন-তরুনীর সংখ্যা খুব কমই পাওয়া যাবে। 'পাশা ভাই' এর আসল নাম মারজুক রাসেল। গোপালগঞ্জে জন্মগ্রহণ করা মারজুক রাসেল ঢাকা আসেন ১৯৯৩ সালে। অভিনয়শিল্পীর পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার, কবি ও মডেল।

বাংলা গানের কিংবদন্তি জেমসের কন্ঠে 'মীরাবাঈ, লেইস ফিতা লেইস, বাইসকুপের খেলা, রাখে আল্লাহ মারে কে, তের নদী সাত সমুদ্দুর' গানগুলো শুনেছেন? গানগুলো কে লিখেছে জানেন? লিখেছেন আমাদের পাশা ভাই অর্থাৎ মারজুক রাসেল।

এছাড়া জেমসের গাওয়া 'দে দূরে, হাউজি, জাত যায়, কথা, সারাবে সারাব, পাখি উড়ে যায়, পত্র দিও, হা ডু ডু, ভাসবো যে জলে ভাসাবো সে জলে' গানগুলো লিখেছেন মারজুক রাসেল। আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া 'আমি তো প্রেমে পড়িনি, ললনা, তোমার চোখে দেখলে বন্ধু' গানগুলোর রচয়িতা মারজুক রাসেল। আসিফ আকবর, হাবিব, ন্যান্সি, হাসান মাসুদ, আরেফীন রুমি সহ অনেক বিখ্যাত শিল্পীর অনেক জনপ্রিয় গানের স্রস্টা এই মারজুক রাসেল।

মাত্র ৮ম শ্রেণিতে পড়ার সময় কবিতা লিখতে শুরু করেন মারজুক রাসেল। তাঁর প্রথম কবিতা খুলনা থেকে স্থানীয়ভাবে প্রকাশিত একটি ম্যাগাজিন "জনবার্তা" এ প্রকাশিত হয়েছিল। তারপরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিনে ফ্রিল্যান্স লেখা শুরু করেন। মারজুক রাসেলের প্রকাশিত বই সমূহের মধ্যে রয়েছে 'শান্টিং ছাড়া সংযোগ নিষিদ্ধ (২০০০), চাঁদের বুড়ির বয়স যখন ষোলো (২০০৩), বাঈজি বাড়ি রোড, ছোট্ট কোথায় টেনিস বল (২০০৫) ও দেহবণ্টনবিষয়ক দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর (২০২০)।'

২০০৪ সালে 'ব্যাচেলর' চলচ্চিত্রে অভিনয় করার মাধ্যমে অভিনয় জীবনের সূচনা করে পাশা ভাই খ্যাত মারজুক রাসেল। তাঁর অভিনীত অন্যান্য চলচ্চিত্র সমূহের মধ্যে রয়েছে 'মেড ইন বাংলাদেশ, রাত্রির যাত্রী, দি ডিরেক্টর ও সাপলুডু।'

তিনি টেলিভিশনে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন টিভি নাটকের মাধ্যমে, তিনি প্রথম মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী পরিচালিত 'আয়না মহল' এ অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত অন্যান্য নাটক সমূহের মধ্যে রয়েছে 'কানামাছি, স্বরবর্ণেরর চোখে, একান্নবতী, পালাবি কোথায়, ৪২০, কবি, মুরব্বি, অস্থির প্রেমিক, ক্যাপটিন, চড়ুইভাতি, হাউজ ফুল, রিলেশন, বিশ্বাস, খরসু+ময়না, বিসিএস পাগলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র, মিঃ টেনশন, ছাতি রইস, ব্যাচেলর পয়েন্ট' ইত্যাদি।

এছাড়া বিভিন্ন টিভি বিজ্ঞাপন ও গানের মডেল হিসেবেও মারজুক রাসেল বেশ সফল।

৩০.০৩.২০ - শেখ আসাদ

বিলুপ্তির পথে প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে বলতে পারো ২০০০ এর আগে/ ৯০ দশকের সাথিরা???  এবং তোমার এলাকার গ্রাম্য ভাষায় কি ডাকতে বা এখনো ডাকে????

৩০.০৩.২০- শওকত আকবর

ফুলেরা জানতো যদি আমার হৃদয় 
ক্ষতবিক্ষত কতোখানি, 
অঝোরে ঝরতো তাদের চোখের জল 
আমার কষ্ট আপন কষ্ট মানি


জড়ো বস্তুর সমাহারে একটু খানি জীবনের স্পন্দন.... এইচ এম তানজিমুল ইরফান


শুভ সন্ধ্যা 💚 - ইমতিয়াজ আহমেদ


🌴 সারিবদ্ধ প্রহরি 🌴 - রাজিব পাল


৩০.০৩.২০ - অবশেষে আমি

অসুস্থ শরীরে বিছানায় লেপ্টে থাকা মানুষটাই বুঝতে পারে ভালোবাসার মানুষটার কাছে তার কদর কতখানি,পরিবারের সদস‍্য গুলো মুখ লুকিয়ে কান্না মানুষাটাকে আরো বেশি দূর্বল করে দিতে পারে নিমিষেই। পরিবারের ছোট্ট সদস‍্য টির কান্না ভরা মোনাজাত শুনে মানুষটা বুঝতে পারে পৃথিবীতে তার প্রয়োজন ফুরালে ঐ ছোট্ট মানুষটার কাছে সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ। তার সাথে খেলার জন‍্য  তার সব আবোল- তাবোল  কথা গুলো শুনার জন‍্য হলেও অসুস্থ মানুষটা সুস্থ হয়ে যাক। মৃত্যু আপনাকে গ্রাস করবে জেনে যখন আপনি আপনার সাজানো সংসার কিংবা স্বপ্ন গুলোর এল‍্যাবাম টা দেখবেন, কষ্টে বুক ফাটা কান্না আসলেও আপনি সেদিন কাঁদতে  পারবেন না। ভালোবাসার মানুষ গুলোর কাছে যখন বোঝা হয়ে পরবেন মূহুর্তে তাদের জন‍্য নিঃস্বার্থে করে যাওয়া আপনার কাজগুলো চোখের সামনে ভাসবে-আপনি কিছুই বলতে পারবেন না সেদিন। কারণ আপনার প্রয়োজন ফুরিয়ে যাচ্ছে। আবার কিছু কিছু মানুষের কাছে ঐ অসুস্থ আপনিই যেন সব। একদিন ও যদি বেচেঁ থাকেন আপনি সেদিন ও ঠিক আপনার হাত দুটো ধরে একসাথে বেচেঁ থাকার  প্রতিশ্রুতি দিয়ে বসবে। আপনার স্বপ্ন গুলো যেন একদিনে পূরণ করে ফেলার যুদ্ধে নামবে পাগল মানুষ গুলো। ভালোবাসায় দু শ্রেণির মানুষ থাকে জানেন ত। যে কেবলি স্বার্থ দেখে সুখি হতেই চাইল- আর অন‍্য শ্রেণির মানুষগুলো কেবল নিঃস্বার্থ ভালোবেসে হাতটা ধরেই জীবন পার করে দিলো। ভালোবাসার মানুষটাকে কঠিণ কঠিণ বাক‍্য শুনিয়ে বুঝি আপনি অনেক বড় হয়ে গেলেন?পাল্টা কষ্ট দিবেন বলেই যত খারাপ শব্দ আছে তার চরিত্রে মিলিয়ে দিলেন নিজ দায়িত্বে! তাহলে কেমন  ভালোবাসলেন এতদিন এতটা বছর? অতীত দেখিয়ে অপমান করার জন‍্য তাকে তার অযোগ্যতা বুঝিয়ে দেয়ায় যদি আপনার স্বভাব হয় তবে কেন বেসেছিলেন এমন ভালো। ভালোবাসার মানুষটার কাছে সময় এবং সম্মান দুটোই ভীষন দরকার।  আপনাকে বুঝতে হবে এসব। তবেই না হয় ভালোবাসবেন। আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি দিবেন। যাকে  একবার হারিয়ে ফেলবেন ঠিক তখনি বুঝবেন সে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল আপনার জীবনে,কতটা জগৎ  জুড়ে ছিল আপনার। হারিয়ে যেদিন বুঝবেন তখন সময় টা অনেকদূর।

৩০.০৩.২০ - এম এ হান্নান

- ছেলেটির শেষ কথা ছিল " তোমাকে ছাড়া
ভালোই থাকবো "😥❤
-" ছেলেটির লাশ টা ও ভালো আছে হয়তো আজও..! 🌸🥀
-মেয়েটি বলেছিল আর রাত জাগবো না তোমার জন্যে ।👪💔
-" এখনো মেয়েটি রোজ সকালে কনসিলার দিয়ে চোখের কালি লুকায় ..!😥🥀
- মেয়েটি " বলেছিল ভুলতে পারবে আমায় ?🌸🥀
ফিকে হাসিতে এলোমেলো চুলের " ছেলেটি জবাব দিয়েছিল : ; " কোনো বেপার না 💔❤
- ছেলেটি আজ মানসিক হাসপাতালে ! হয়তো ভুলার চেষ্টা সফল হয়নি তার .!💔🥀
'- বয়স ২২ কি ২৩ ;তখনি বিয়ে দিয়ে দিলো বাড়ি থেকে..!💚🥀
-প্রেমিকার কথা বাসায় বলায়..! বাবা বলেছিল; আমার সম্মান আগে নাকি তোর প্রেম..!💔🥀😥
- বাবার সম্ভান রাখতে মেয়েটা এখনও আকাশের দিকে তাকিয়ে " বলে " খমা করে দিও ভালোবাসা " 🌸🥀
- আর কখনো সিগারেট " খাবো না বলে প্রমিজ করা ছেলেটি বুক ভরা নিকোটিনের ধোঁয়া " কেনসার ধরা পড়েছে " বলে ডাক্তার খুব করে বারন করেছে সিগেরেট খেতে" 💔😥🥀
- ছেলেটি বলে; সে কথাটি রাখেনি আনো কারও হয়ে গেছে ; আমি কথা রাখবোনা ❤🌸
- কেউ ভালো থাকে না রে ভাই ..!💔😥
- বিশ্বাস কর যারা মন থেকে সত্যি ভালোবাসে তারা ভালোবাসা হারিয়ে কখনো ভালো থাকেনা ❤🌸🥀
- সব সামলে নেওয়া যায় " বুকের বাম দিকের চিনচিনের বেথাটা সামলানো যায়না কখনো ..!❤💔
- হারিয়ে যাওয়া মানুষ গুলো খুব করে চায়; একটা সুযোগ ফিরে আসার " 🌸🥀 পাবে না জেনে ও চায় ;আর কষ্ট জমায় ☺🥀💚
- সবার সামলে নেওয়ার খমতা " থাকে না কেউ ধীরে ধীরে শেষ হয়; কেউ বা তারাতাড়ি 🥀💔🌸
- কিন্তু আত্মার মৃত্যু তো একসাথে হয় ..!🥀💔🌸
(- 💔
-তুমি না হয় তারও গল্প হও 🥀
যে তোমাকে লিখতে চায় তার বইয়ের পাতায়
(-💔
- আমি না হয় সে গল্প পড়ে নিবো 🥀
কোনো এক বই মেলায় 🌸

 🖤🌼🌿

এই বছরের নতুন লিচু 😐 - মাহমুদুল হাসান


৩০.০৩.২০ - তৌহিদুল ইসলাম নিশান

মানুষ তখনই সফল হয় যখন সে আগের বার ব্যর্থ হয়।প্রথম বারের সফলতার চেয়ে ২য় বারের সফলতা অনেক বেশি আনন্দময়।প্রথম বারের সফলতার গল্পে আমি চাইলেই পারতাম ঠিক এমনটা।আর ২য় বারের সফলতা আমার হার না মানা চেষ্টা আর অধ্যাবসায়, যা সত্যি খুব সুখের।কিন্তু এই না যে আমরা ১ম বার ই হেরে যাবো। তবে প্রথম বারের সফলতা পরের বারের সফলতার জন্য আরো এক ধাও এগিয়ে দেয়😊।

Sunday, March 29, 2020

অাম্মু_অামি_একটু_রুমেল_চাচার_বাড়ি_যাচ্ছি - অনিক চৌধুরী


পাশের বাড়ির রুমেল চাচার দুটো ছেলে বড়টা নিন্দ্য ছোটটা কাব্য।
মাঝে মাঝে গান শেখাতে যেতাম ওই ছোট কাব্য কে বড়টা অাবার একটু বিদ্যাসাগর টাইপের সে এসবের মধ্যে নেই। ছোট মিয়া অাবার বাচ্ছু গুরুর বেশ ভক্ত..! তার পড়ার টেবিল তার সারা রুম জুড়ে শুধু গুরুর ছবি অার ছবি। তার শখ সেও একদিন রূপালী গিটারে সুর তুলবে।তবে অাগে থেকে বলে রাখা ভালো অত্র এলাকা জুড়ে এমন জিনিস শুধু রুমেল চাচার ঘরেই অাছে।সমগ্র এলাকার মানুষ তারে নিয়া ভীষন চিন্তায় থাকে।একবার তো চাচার নাম করে থানায় ফোন করে রিতিমতো বাড়িতে পুলিশ হাজির করে ফেলেছিলো। অাচ্ছা কাজের কথায় অাসি,
তো অাজ বৃহস্পতিবার অর্ধেক সময়ে মহাশয়ার স্কুলেও ছুটির ঘন্টা শুনাবে সেই সুবাদে অামি রুমেল চাচার বাড়ি গিয়ে অাগে থেকেই উপস্থিত। চাচার ছোট ছেলেটার দিকে তাকালেই কেমন যেনো একটা আলু আলু ভাব আসে মনে। আজ দেখি দেখতে কেমন যেনো একটা ডিম ডিম ভাব চলে এসেছে আর চেহারা হয়েছে অনেকটা নতুন আলুর মত, হালকা চামড়া উঠা উঠা।

আমি বললাম কিরে কি হয়েছে, কে এই সর্বনাশ করল তোর!
কাব্য পুরাই নাছোড়বান্দা, কিছুতেই স্বীকার করে না কি হয়েছে। অনেক কিছুর লোভ দেখানোর পর বলল, আজ যখন স্কুলে টিফিনের বিরতিতে সব বন্ধুরা খেলছিলামম, তখন নাকি কোন ক্লাসমেট কাব্যর ক্লাস টিচার কাম হাউজ টিউটরকে ট্রাক্টার স্টেডিয়াম স্যার বলেছে। স্যারের মাথায় চারপাশে সামান্য চুলের উপস্থিতিতে ফুটবল মাঠের টাইপের একটা টাক থাকায় এবং স্যারের গলার সুর টা খসখসে ট্রাক্টারের সাউন্ডের টাইপ হওয়ায় স্যারকে ওরা অনেকেই এই নামে ডাকে। কত্তো ফাজিল ছেলেপেলে।
আমি বললাম, ও তার মানে তুই এই ঘটনা স্যার কে বলে দিবি এটা বলেছিলি বন্ধুদের তাই তোর বন্ধুদের হাতে তুলা ধুনা হয়ে এসেছিস!
কাব্য বলল ওটা হলে তো ভালই হত, পরে একসময় শোধ করে দেওয়া যেত।কত্তো ক্রিটিক্যাল হলে অাবার শোধ করার কথা চিন্তা করে। সমস্যাটা হয়েছে আমরা যখন ঝগড়া করছিলাম, স্যারের নামের পক্ষে আর বিপক্ষে তখন ঐ স্যার হঠাৎ চলে আসেন আর আমাদেরকে ঝগড়ার কারণ জিজ্ঞেস করেন। আমরা এতই উত্তেজিত ছিলাম যে স্যারকে আমি বললাম স্যার, ওরা না আপনারে ট্রাক্টার স্টেডিয়াম স্যার বলে ডাকে।
স্যার অবাক হয়ে হাঅাঅাঅাঅা করে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইলেন রাগে ক্ষোবে স্যারের চুল গুলো দাঁড়িয়ে যায় দাঁড়িয়ে যায় অবস্থা আর তখন আমার পাশ থেকে অরিজ বলে উঠল স্যার আপনেই বলেন এরচেয়ে ফটাসাউন্ডটাক্কু স্যার নামটা অনেক ভাল না?

এরপর কি হল?

কি আর হবে! এরপরের টুকু শুধুই ইতিহাস।১ম বার কান ধরিয়ে ১০০ বার উটবস করালো,২য় বার হাতে করে যে বেত টা নিয়ে এসেছিলো সেটা পুরোই অামাদের পাছায় অার পিঠে ক্ষসিয়ে দিলো, তৃতীয়বারের মত যখন স্যার ভাংগা বেত ফেলে টিচার্স রুমে গেলেন নতুন জোড়া বেত আনতে তখন আমরা সবাই যে যার মত দেয়াল টপকে বাসায় চলে এসেছি।

হঠাৎ চমকে উঠলাম বারান্দার দরজায় চোখ পরতে। দেখি একটা বেশ সুস্বাস্থ্যবান টাইপ ফুল ঝাড়ু নিয়ে রুমেল চাচার বৌউ মানে অামার চাচিঅাম্মা রক্তচক্ষু করে কাব্যের দিকে তাকিয়ে আছে।

অামি তখন আরেক ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে আস্তে করে চাচার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে এলাম।
ফাজিলের হাড্ডি, শিক্ষকের নামকরণ করস! খা মাইর!
সকালে অালুটারে দেখতে গেসিলাম ১০২ ডিগ্রি জ্বর নিয়া উঠানে বসে বসে অালুর চিপ্স খাচ্ছে।

■ Anik Chowdhury

শুভ সকাল - শওকত আকবর


সৌন্দর্য - এইচ এম তানজিমুল ইরফান

আমি  লুকিয়ে আছি সর্বত্র, খুজে বের করা তোমার দায়িত্ব...
                                 
                                                    

৩০.০৩.২০ - মিঃ জনি




অবহেলিত ভালোবাসা - আল নোমান

কোনো এক সন্ধ্যেতে তোমার পাশে রিক্সায় বসে ফেরার ইচ্ছের গল্প অনেক হয়েছে। আমার হাতে তোমার হাত থাকবে, উথালপাতাল বাতাসে তোমার চুল উড়ে উড়ে এসে আমার মুখ স্পর্শ করে যাবে আর তোমার আকাশ-বাতাস কাঁপানো হাসিতে আমি মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকবো... এসব নিয়ে এখন আর ভাবতে ইচ্ছে করেনা।

শোনো, একদমই ইচ্ছে করে না!

জানো? এই শহরে বোকারাই দিন শেষে ভালো থাকতে পারে না। বোকাদের ভালো থাকা পাপ। সবাই সবার মত করে ঠিকই ভালো থাকার উপায় একটা বের করেই নেয়। কিন্তু বোকারাম গুলো বেলতলায় বার বার যায়। দুনিয়ার সব কিছু এক করে দেয় একজনের জন্য আর সেই একটা সময় গিয়ে বোকা বানিয়ে দেয়। হাবারাম গুলোকে তখন শুনতে হয় "তুই বড় বোকারে, এভাবে কেউ ভালোবাসে? জানিস না, এত ভালোবাসলে দিন শেষে অবহেলাই পেতে হয়?"   

সত্যি হয়তো, যারা সবচেয়ে বেশী ভালোবাসে তারা অবহেলাটাও একটু বেশীই পায়। ! ধীরে ধীরে বোকা হয়ে লুকিয়ে যায় অসহায় রাত জাগা কোনো অপ্রকাশিত ডায়রির পাতায় যা কেউ কখনই পড়ে না।

#অবহেলিত_ভালোবাসা🙁

কথোপকথন - জিতু

♦মারা গেলে ভালো হতো।
দুনিয়াতে তো ভালো কিছু নাই। যতো আগে মরবো ততো ভালো।

-তোমার মৃত্যুসংবাদ তো শুনতে চাইনা।

♦মৃত্যু হবে। আমি প্রস্তুত মৃত্যুর জন্য।  এখন তো সংবাদ শুনলেও কেউ আসবেনা। দুনিয়াতে আখিরাত দেখা যাচ্ছে। কেউ কাউকে চিনতেছেনা।

-সময় বলে দিবে সব।

(কথোপকথন)

সবাই ইয়া নফসি ইয়া নফসি করছে। নিজে বাঁচলে বাপের নাম। প্রত্যেকটা মানুষ নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া।
এর বাইরেও কিছু গল্পের সৃষ্টি হচ্ছে। সৃষ্টি হচ্ছে/হবে ভিন্ন ধাঁচের কোনো গল্প। ভালোবাসা যে আল্লাহ প্রদত্ত। এই ভালোবাসা হেরে যেতে পারেনা। ভালোবাসা টিকে থাকুক।  বেঁচে থাকুক প্রিয় মুখ। মরে গেলেও বেঁচে থাকুক ভালোবাসায়...

জিতু
৩০-০৩-২০২০

Good Morning - মাহমুদুল হাসান


৩০.০৩.২০ - সাদিয়া খান

মানুষের জীবনে যখন ঢের সুখ থাকে, তখন সে তার থেইকা বেশি সুখী মানুষ দেইখা দুখী হইয়া যায়!

কিন্তু মানুষের জীবনে ঢের দুঃখ থাকলে তখন সে তার থেইকা দুখী মানুষ দেইখা সুখী হয় না!
বরং আরো নিজের দুঃখ  ততার থেইকা বেশি বইলা দুঃখবিলাস করে!🌚

৩০.০৩.২০ - তৌহিদুল ইসলাম নিশান

ভালোবেসো ওই আকাশের চাদটাকে যে নিজের ইচ্ছায় তোমায় আলো থেকে বঞ্চিত করবেনা। মাঝে মাঝে ওই ভালোবাসায় কাটা হয়ে কালোমেঘ বাধা দিলেও ভালোবাসার জয় সবসময়। সেটা কাটিয়ে আবার সেই আগের মতো আলোতে তোমায় ভরিয়ে দিবে।

উত্তর জানা নেই- সাদমান রহমান সময়


সন্ধ্যায় স্বভাবজাত নিত্য অভ্যাসে চা আর বিস্কুট খাওয়া কখনো বকেয়া হয় না৷ এরপরেই তারেক শামসুর রেহমান স্যারের নয়া বিশ্বব্যবস্থা ও আন্তজার্তিক রাজিনীতি বইটা হাতে নিলাম। বলে রাখা ভালো আমার কাছে বর্তমানে থাকা বই সব আমার মেজো খালার মেয়ের৷ ওর বিয়ের দিন বিকালেই ওর যতো বই সব বিকালেই বাসায় নিয়ে আসি ওকে না বলে৷
তো যা বলছিলাম, বইয়ের দুই পাতা না শেষ করতেই পিচ্চি মামাতো বোন পাশে এসে বসে৷ আমার বই পড়া দেখা, জিজ্ঞাস করে ভাইয়া কি পড়ছো, আমি পড়ায় মগ্ন তাই কথা না বাড়িয়ে এক কথায় উত্তর দিয়ে পড়ায় মনোযোগ দিই। হঠাৎ করে শুনলাম বোন কিছু একটা গুনগুন করছে৷ পড়া বাদদিয়ে মনোযোগ দিয়ে শুনতে চেষ্টা করলাম।
ও বলছে ধরেন এমন :: শিশির ভেজা বৃষ্টি পড়ে আব্বু তুমি কই, আম্মুর নামে অভিযোগ দিবো তুমি কই আব্বু৷ ওওওওওও এই সন্ধ্যায় অন্ধকার............
গানের সুরে ও কি বলছে এসব? আমি তখনি ওরে বললাম কিরে ইবনাত, তুই এসব কি বলছিস? কে শিখিয়েছে?  কিছুই উত্তর দেয় না।

পরে ও আমায় প্রশ্ন করে আচ্ছা ভাইয়া মেয়েরা যদি বড় হয় ভূত কি ভয় পায় মেয়েদের?

উত্তর................??????

শুভ জন্মদিন- শহীদ শাফী ইমাম রুমী বীর বিক্রম - শামছুল আলম রিপন

শুভ জন্মদিন- শহীদ শাফী ইমাম রুমী বীর বিক্রম।
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সুযোগ্য পুত্রসন্তান..
আমরা তোমাদের ভুলি নাই, ভুলবো না।

”তুইতো এখানে পড়বিনা, IIT তে তোর ক্লাস শুরু হবে সেপ্টেম্বরে, তোকে না হয় কয়েকমাস আগে আমেরিকা পাঠিয়ে দেব“-  শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।

"আম্মা, দেশের এই রকম অবস্থায় তুমি যদি আমাকে জোর করে আমেরিকা পাঠিয়ে দাও, আমি হয়তো যাবো শেষ পর্যন্ত। কিন্তু আমার বিবেক চিরকালের মত অপরাধী করে রাখবে আমাকে। আমেরিকা থেকে হয়ত বড় ডিগ্রি নিয়ে এসে ইন্জিনিয়ার হবো, কিন্তু বিবেকের ভ্রূকুটির সামনে কোনদিনও মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবনা। তুমি কি তাই চাও আম্মা?”-  শহীদ রুমী।

শহীদ জননী জোরে দুই চোখ বন্ধ করে বললেন- “না ,তা চাই নে। ঠিক আছে তোর কথাই মেনে নিলাম। দিলাম তোকে দেশের জন্য কোরবানি করে।  যা, তুই যুদ্ধেই যা।”

ভাষা আন্দোলনের আগের বছর ২৯ মার্চ ছেলেটির জন্ম। রুমী খুব সহজে পৃথিবীতে আসেনি। দীর্ঘ ১৪ ঘন্টা গর্ভধারনিকে কষ্ট দিয়ে নিজেও কষ্ট পেয়ে ২৯ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে বারোটায় সে পৃথিবীর আলো দেখেছিলো। ডাক্তার এ.কে.খান রুমীর বাবার বন্ধু ছিলেন। তিনি জানতেন ছেলের বাবা ইঞ্জিনিয়ার তাই তিনি সদ্যোজাত রুমীকে দুইপায়ে ধরে, মাথা নিচের দিকে ঝুলিয়ে পিঠে চাপড়ে বলেছিলেন "এটা ১৯৫১ সাল, নিশ্চয় ১৯৭১ সালে এই ছেলে ইঞ্জিনিয়ার হবে"। ১৯৭১ সালে রুমী ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেনি তবে দেশের জন্য শহীদ হয়েছিলেন। দেশের জন্য প্রাণ দেয়া সাহসী এই বীর এবং অকুতোভয় এই তরুণের গর্ভধারিণী ছিলেন শহীদ জননী জাহানারা ইমাম।

জোস একটা জায়গা 😑 - MD Mahmudul Hasan


২৯.০৩.২০ - ইমরুন হোসেন সাকিব

রাতের আকাশটা খুব নিস্তব্ধ। ওই আকাশ বুকটা গেসে নেই কোনো তারা। চাদটা যেন ক্লান্ত, তার আলো পড়তে দিচ্ছে যেন ওই দুষ্টু কালো মেঘ গুলো। চাদের মুখে নেই  হাসি।।

এক হৃদয়ভাঙ্গা বালক যেন জানালা দিয়ে উঁকি মারে দূর আকাশে ওই চাদের প্রাণে। যে অনুভব করে মনে আজ বুজি তার মতো চাদের একই দশা।ছেলেটা যেন বলতে চায় ওই চাদকে প্রিয়তমা ছেড়ে চলা যাওয়ার গল্পটা।।

🌜🌛

Way To #saint_martin Island 🖤 - এইচ এম তানজিমুল ইরফান

দুই ডানার উপর ভরসা তাহার,
সপ্ন নেই তার গড়বে পাহাড়...
নিজের আপন ঘর ছাড়ি,
অসিম পথ সে দেয় পাড়ি....




♥ রঙিন কাগজের শিল্প ♥ - রাজিব পাল









চারদিকে জলকলরব, স্নিগ্ধ বাতাস, পুরো পাড় জুড়ে কেমন মায়া কাড়ানো ভাব💙 - ইমতিয়াজ আহমেদ


🌸ফুলের সাজানো বাসন🌸 - রাজিব পাল


সিঙ্গেল প্যাটাল হলুদ ক্যালাঞ্চু.! - রায়হান ভূঁইয়া




২৯.০৩.২০ - সাজিদ খান

'আল্লাহর নামে চলিলাম'ট্যাগমার্ক দেয়া ট্রাকটাও কোনো এক এক্সিডেন্টে দুমড়ে মুচড়ে যায়,

'আমি ছোট আমাকে মেরোনাহ'ট্যাগমার্ক দেওয়া সিএনজি ড্রাইভারও সিগনালে টাকা দিতে না পারলে ট্রাফিক পুলিশের হাতে লাঠির বাড়ি খায়,

'আপনার শিশুকে অন্তত পন্ঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত পড়ান'লিখা ড্রাইভারের ১০ বছরের ছেলেটা ঘুম থেকে উঠে গ্যারেজে কাজ করতে যায়,

'রাখে আল্লাহ মারে কে' ট্যাগ দেয়া ড্রাইভারও এক্সিডেন্টে জীবন হারিয়ে বস্তাবন্দি হয়ে পড়ে থাকে,

'বিপদের কোনো হাত-পা নেই,১০০ হাত দূরে থাকুন'ট্যাগ দেয়া ড্রাইভার কোনো এক দূর্ঘটনায় নিজের হাত পা  হারিয়ে বসে থাকে,

'ভালোবাসি বলতে বলতে পাগল হয়ে যাওয়া মানুষও পিছপা হতে দুটো সেকেন্ড সময় নেয়নাহ,

তবুও জীবন চলে যায় তার মতো,
তবুও.....
একটু অন্যরকম পৃথিবী,হুহ?

২৯.০৩.২০ - ফাহমিদা রহমান









শৈশব - মেহেরাব তামিম


আজ সব কিছু নিস্তব্ধ,, - আশরাফ উদ্দিন রনি


প্রকৃতি নিচ্ছে নিজের মত করে নিশ্বাস,,
শিতল বাতাসে ভরে যায় মন,,

ছবিঃ নিজ গ্রাম


আলো আমি বাসি না ভালো খুঁজি কালোরে..... প্রবাল ভৌমিক

মোবাইল ফটোগ্রাফি,মীরসরাই।
  

প্রিয়_প্রিয়তমা - রিপন গোপ পিন্টু


১ম পর্ব

প্রতিদিনকার মত আজও প্রিয়ম বিকালবেলা টিউশন করানোর জন্য ছাত্র তিয়াসদের বাড়ীতে গেলো। টেবিলে বসে আছে ঠিকঠাক যেন কিছু বলতেই পারছিলোনা,এইরকমটা দেখে তিয়াস তার স্যারকে জিজ্ঞেস করেছিলো স্যার কি হয়েছে আপনার? উত্তরে প্রিয়ম একটা হাঁসি দিয়ে বললো কিছু না। রোদে হেঁটে এসেছে তাই একটু খারাপ লাগছে,তিয়াস বললো ও আচ্ছা। প্রিয়ম তিয়াসকে কিছু না বললেও তিয়াস তার স্যারের এমনটা দেখে বুঝে নিয়েছে নিশ্চয়ই তার স্যারের কিছু একটা হয়েছে। টিউশন শেষে বের হবার আগে প্রিয়ম তিয়াসকে বলেছিলো তার মাকে বলতে যেন আগামীকাল তার চলতি মাসের বেতনগুলা অগ্রিম দেয়। সে বললো ঠিক আছে স্যার আমি মাকে বলে দেবো। টিউশন শেষ করে প্রিয়ম বাড়ীর দিকে ফিরছিলো এমন সময় তার ছোট বোন কল দিয়ে বল্লো ভাই আসার সময় আমার জন্য ২ দিস্তা খাতা,২ টা কলম আর ১ টা পেন্সিল আনিস। কাল স্কুলের কোচিং এর অনেক হোমওয়ার্ক দিয়েছে আগের সব খাতা শেষ। প্রিয়ম বোনকে বললো আচ্ছা ঠিক আছে তুই চিন্তা করিসনা আমি কিছুক্ষন পর তোর খাতা,কলম নিয়ে বাড়ী আসছি। এটা বলে প্রিয়ম প্যান্টের ডান পকেটে হাত দিয়ে টাকা বের করলো দেখে তার পকেটে ১টা ১০০ টাকার নোট,২ টা বিশ টাকার নোট আর ১ টা ১০ টাকার নোট সবমিলিয়ে পকেটে আছে দেড়শো টাকা। কালকের কথা বা কোনো কিছু না ভেবে সে লাইব্রেরীতে গিয়ে তার বোনের জন্য ২ দিস্তা খাতা,২ টা কলম ও ১ টা পেন্সিল নিলো। বিল আসলো ৪৫ টাকা,পকেটে আর রইলো ১০৫ টাকা। খাতা কলম নিয়ে প্রিয়ম বাড়ীতে ফিরলো আর বোনের হাতে দিয়ে বললো নে ধর তোর কাগজ, কলম সব ঠিকঠাকভাবে লিখে শেষ কর কালকের কাজ। আর তাড়াতাড়ি  শেষ কর ভাই-বোন একসাথে রাতের খাবার খেতে হবে আবার। তার বোন খুশি মনে পড়ার টেবিলে গিয়ে তাড়াতাড়ি বসে পড়লো আবার আর কালকের কাজ শুরু করে দিলো। বাড়ীর কাজ শেষে রাতে ভাই-বোন একসাথে খেয়ে শুয়ে পড়লো। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাই-বোন ফ্রেশ হয়ে আবার একসাথে নাস্তা করলো। নাস্তা করা শেষে বোন স্কুলের জন্য তৈরি হয়ে স্কুলে চলে গেলো। আর প্রিয়ম ঘর থেকে বের হয়ে ট্রেনের রাস্তার দিকে হাঁটতে বের হলো এমন সময় তার ছাত্র তিয়াস তাকে কল দিয়ে বললো স্যার আজকে পড়াতে ৫ টার বদলে ৩ টায় আসিয়েন। আমরা বিকালে বাসা থেকে বের হবো অন্য জায়গায় যাবো। প্রিয়ম মনে মনে খুশি আবার চিন্তিতও।  এমনিতে সে আজ টিউশনে প্রতিদিনের চেয়ে ঘন্টাখানেক আগে যেতো কারন আজ বিকালবেলা সে প্রিয়ন্তীকে নিয়ে শপিং এ যাবার কথা ছিল। খুশি হলো এই ভেবে যে আগে গিয়ে যদি বেতনটা পেয়ে যায় তাহলে তার চিন্তাটাও দূর হবে। পকেটে ১০০ টাকার ১টা নোট.............


২য় পর্ব

পকেটে ১০০ টাকার ১টা নোট আর খুচরো পয়সা রয়েছে। আজ টিউশনির টাকাটা পাবার কথা রয়েছে, সে আগে থেকে বলে রেখেছে। কিন্তু প্রিয়ন্তীর সাথে শপিং এ যাবার কথাও আগে থেকে ঠিক করা ছিলো। প্রিয়ম প্রিয়ন্তীকে ফোন করে বললো আমাকে হঠাৎ দুপুরের পর পর পড়াতে যেতে বলেছে। তুমি না'হয় তোমার মাকে নিয়েই যাও। সে অবশ্য প্রিয়মকে একবার বলেছিলো কোনোভাবে কি বিকালে যাওয়া যায় না পড়াতে? তবে কোনপ্রকার জোর করেনি। পড়াতে না গিয়েও যে উপায় নেই। টাকাটা যে খুব দরকার। ওর সাথে বিকালে ঘুরবো। ওকে তো কিছু দিতে হবে। রাতে আবার ওর মা তাদের বাসায় যেতে বলছে। প্রিয়ন্তীর মা একটু আধটু জানে ওদের কথা। খালি হাতে তো আর ওদের বাসায় যাওয়া যায় না। এইসব ভাবতে ভাবতে দুপুরে খাওয়ার পর যে বিছানায় প্রিয়ম একটু শুয়ে ছিলো তাতে হঠাৎ কখন ঘুমে ধরে গেলো। জেগে উঠে মোবাইলের দিকে তাকিয়ে দেখে তখন ৩ টা বেজে ২০ মিনিট। এরপর অনেক তাড়াহুরো করে টিউশনের জন্য ঘর থেকে বের হলো হাটতে লাগলো। পড়াতে যেতে যে দেরি হয়ে গেলো। প্রিয়ম তিয়াসদের বাসায় পৌছে দেখে ঘড়িতে ৩ টা বেজে ৪০ মিনিটেরও বেশি। তখন তারা বাসা থেকে বের হচ্ছে। আন্টি বললো বাবা আজ আর পড়াতে হবেনা আমরা বের হয়ে যাচ্ছি, তুমি বরং কাল এসো। তখন আন্টির মুখের উপর সে আর বেতনের কথাটাও বলতে পারেনি। শুধু সে হু বলে চলে আসলো। আর বাসা থেকে বের হয়ে সে প্রিয়ন্তীকে কল দিলো আর প্রিয়ন্তী বললো সে নাকি শপিং এ যায়নি।
সন্ধ্যাবেলা প্রিয়ম তিয়াসকে কল দিয়ে বললো তাকে টাকাটা বিকাশ করতে পারবে কিনা। আর যদি না পারে তাহলে সে বাসায় গিয়ে নিয়ে আসবে। তিয়াস উত্তরে বললো তার বাবা মা নাকি হঠাৎ করে গ্রামের বাড়ী গেছে দাদু অসুস্থ তাকে দেখতে। টাকা রেখে যায়নি। টাকা গিফট সব আশা হাতছাড়া করে ট্রেনের রাস্তার ধারে চাঁয়ের দোকানে চেয়ারে বসে আছে। তখন সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা এমন সময় তার কাছে ফোন এলো  পকেট থেকে মোবাইল বের করে দেখে প্রিয়ন্তীর কল। বললো সে নাকি ২০ মিনিট পর রিকশা নিয়ে বাড়ীর সামনে দিয়ে আসবে। সে হঠাৎ আচমকিত হয়ে চেয়ার থেকে উঠে দাড়ালো আর বাড়ির গেইটের দিকে যেতে উদ্দূত হলো। জামাটাও পাল্টানোর সে সময় পায় নি দুপুরে ঘুম থেকে উঠে দুমড়ানো,মোচড়ানো জামা নিয়ে টিউশনিতে গিয়েছিলো। জামাটা ইস্ত্রি করতে তার একদম খেয়াল নেই। কিছুক্ষন পর প্রিয়মের বাড়ীর গেইটের সামনে একটা রিকশা আসলো তাতে এক রমণী যাকে দেখে প্রিয়ম অনেকক্ষন শুধু হা করে তাকিয়ে ছিলো। কচি কলা পাতা রঙের একটা শাড়ী পরে এসেছিলো সে। তাকে অদ্ভুত রকমের সুন্দর দেখাচ্ছিল যার থেকে চোখ সরাতে পারছিলোনা প্রিয়ম। তারপর একই রিকশা করে তারা দুইজন গেলো ট্রাস্ট কলেজ রোড়ের দিকে। রাস্তার দুই পাশে নানান রঙ্গের বাতি জ্বলছে আর বিভিন্ন রকম ফুলের বাহারি সৌন্দর্যময়। সেখানে কিছু সুবিধাবঞ্চিত শিশু যেন তাদের জন্য অপেক্ষা করছিলো। ওদের সাথে নাকি তার আগে থেকে ভাব। কাছে যেতেই তারা প্রিয়ন্তীকে জড়িয়ে ধরে ভাঙা ভাঙা ইংরেজীতে বললো হ্যাপি বার্থডে মিষ্টি দিদি। বাচ্চাগুলা তার জন্য পদ্মের মালা বানিয়েছে। প্রিয়মের জন্যও বানিয়েছে একটা। ওরা নাকি তাকেও চিনে। প্রিয়ন্তী নাকি বাচ্চাগুলাকে তার ছবি দেখিয়েছে। সে তো পুরো অবাক। ওদেরকে মুঠো ভর্তি চকলেট আর চিপস,কেক দিয়ে তারা শহরের দিকে চলে আসলো। তারপর দুজন মিলে শপিংমলে গিয়ে একটা সাদা পাঞ্জাবী কিনলো। পরশু নাকি প্রিয়ন্তীর মামাতো ভাই বাইরে থেকে আসছে,তার জন্য কিনলো। পকেটে এখনো সেই..........


৩য়_পর্ব

পকেটে এখনো সেই ১০০ টাকার নোট নিয়ে ঘুরছে প্রিয়ম। তাকে একপ্রকার জোর করে ফুচকার দোকানে নিয়ে গেলো প্রিয়ন্তী। একটাই চাওয়া তাকে নাকি ফুচকা খাইয়ে দিতে হবে আজ। নিজে হাত দিয়ে একটাও খাবেনা। জোরপূর্বক বিলটা প্রিয়ম দিলো। বড্ড খারাপ লাগছে প্রিয়মের,আজকের দিনেও তার সাথে খালি হাতে দেখা করতে হলো। মোড়ের টং দোকানে ২ টা রং চা খেয়ে রাত ৯ টার দিকে দুজনে তার বাসার দিকে রওনা দিলো। পকেটে আর মাত্র কুড়ি'টা টাকা আছে, তাই আর কিচ্ছু নেবার কথাও মাথায় আসলোনা প্রিয়মের। পথে যেতে প্রিয়ন্তী কিছু ফুল, মিষ্টি আর কিছু ফল নিলো,বললো তার মা নাকি নিতে বলেছে। ওদের বাসায় ডুকতে ওর মা এসে দরজা খুললো। ও মায়ের হাতে মিষ্টি,ফল,ফুলগুলো হাতে দিয়ে বললো, দেখো মা ওকে কতো করে  বললাম এগুলা না আনার জন্য। কিন্তু কিছুতেই আমার কথা শুনলোনা। এইসব শুনে,দেখে প্রিয়ম মুহূর্তেই শক্ত হয়ে গেলো। কিন্তু মুখে শুষ্ক একটা হাসি হাসলো। রুমে ডুকতেই প্রিয়ন্তীর মা বললো আচ্ছা তোরা বসে কথা বল, আমি রান্না ঘরের দিকে যাচ্ছি। প্রিয়মের হাতের কব্জিটা ধরে এক ঝটকায় প্রিয়ন্তী তার রুমে গিয়ে দরজা আটকে বললো, আমি দেয়ালের দিকে মুখ করে দাড়াচ্ছি, তুমি চট করে এই পাঞ্জাবিটা পরে নাও।


৪র্থ ও শেষ পর্ব

প্রিয়ম বলে উঠলো..... মানে কি? ওটা তো তোমার ভাইয়ের!
কিসের ভাই? কোনো ভাই টাই নেই আমার। তোমার জন্য এনেছি। তাড়াতাড়ি পরে নাও, মা একটু পর চলে আসবে।
সে ছোট বাচ্চাদের মত নিশ্চুপ হয়ে পাঞ্জাবিটা পরে নিলো। তারপর প্রিয়ন্তীর মা সহ তারা রাতের খাবার খেলো।  খাওয়া শেষে প্রিয়ম বাড়ীতে আসার জন্য বাসা থেকে বের হয়ে এলো প্রিয়ম। তখন ঘড়িতে প্রায় ১১ টা বাজে, মনে মনে ভাবছে তার ছোট বোনটা না জানি না খেয়ে বসে আছে তার জন্য। বাসা থেকে আসার সময় তার হাতে একটা ব্যাগ ধরিয়ে দিলো প্রিয়ন্তী। পকেটের বাকি টাকাটা দিয়ে রিকশা করে বাড়ীতে আসলো প্রিয়ম। ঘরে ডুকে খাঁটে বসে ব্যাগ খুলে দেখে একটা টিফিনবক্স। তার ভিতর খাবার আর উপরে একটা ছোট্ট খাম। খামের ভিতর ৩ টা হাজার টাকার নোট আর ছোট্ট একটা চিরকুট। তাতে লিখা ছিলো খাবারটা ছোট বোনকে পাশে বসিয়ে নিজ হাতে খাইয়ে দিতে,আর অবশ্যই খাওয়ানোর আগে একটু গরম করে নিতে। আর ওই টাকাটা তুমি রাখো কোনো একটা সময় সুদে আসলে সব নেবো কিন্তু। বাকিটা  জীবন তুমি আমার এভাবেই পাশে থেকো। আর রাস্তা পার হবার সময় আমার হাতটা শুধু শক্ত করে ধরো মোর প্রিয়।
ভালোবাসি তোমাকে প্রিয়, বড্ড বেশি ভালোবাসি তোমাকে।

শূণ্য পেলো অনুভূতির মূল্য - জিতু

যখন রৌদ্রতাপে গলে দেহ,
ব্যস্ততার কোলাহলে কলহ;
অন্যচিন্তায় অমনোযোগী চিত্ত
তখন না হয় ব্যর্থ আমি
খেয়ালজটের ফাঁকফোকরে উঁকি দিতে
অবসরে, চায়ের কাপে বাষ্পায়নে
বেলকনির গ্রিল ছুঁয়ে
ভাবনা হয়ে উড়তে ইচ্ছুক
তোমার মনোবনে...

সূর্য্য নেমে আকাশ থেকে
ডুবতে থাকে যখন জলে
লাল মেঘের বাতি জ্বেলে
থমকে দাড়াই তোমার গগনে...

ভেবেছিলাম তোমার ভাবনায়
আসি আমি রোজ বিকেলে
অল্প আক্ষেপ হয়ে যাই মিশে
ছোট্ট দীর্ঘশ্বাসে...
ভাবনা গুলো অভাবনীয় মিথ্যে হবে
ভেবেছিলো কে..?
পথের বুকে হেঁটে যাওয়া
হাজার পথিকের মাঝে
আমি অচেনা আগন্তুক
তাদের সারিতে থাকবো আমি
ভাবিনি ভুলেও....

তোমার বাগান বৃষ্টি ভেজা
ধুয়ে যাওয়া ধুলোর মতো
পাচ্ছি আমি সাজা...

কেন এমন হলো?
শূণ্য পেলো
অনুভূতির মূল্য ...

জিতু
শূণ্য পেলো অনুভূতির মূল্য
০৩-০৫-২০১৭

শিরোনামহীন - ইমরুন হোসেন সাকিব

নিশ্বাসটা বন্ধ হয়ে গেলেই,
আমার গল্প শেষ!🙃🌿

বৈশাখের স্মৃতিচারণ - সাব্বির আহমেদ শাকিল

ভালো থাকা আর খারাপ থাকার মাঝে প্রচন্ড ভিন্নতা রয়েছে,
যেমন ধরুন এই বৈশাখে কেউ প্রিয়জনের দেয়া নতুন পান্জাবীটা খুব যত্ন করে পড়বে,কোথাও বসতে হলেও বারবার উঠে পান্জাবীটা ঠিক করবে যাতে কোনোভাবেই ভাজটা না ভাঙ্গে। নতুবা কেউ ঘুরবে তার প্রিয়জনের দেয়া হলুদ শাড়ীতে,একগোছা কাচের চুড়িতে,হয়তোবা পায়ে আলতা দিয়ে নুপুর পায়ে,নুপুরের রিনিঝিনি শব্দে মানুষটা পাগলপ্রায় হবে সেটা ভেবে কয়েকবার পুলকিত হবে মেয়েটা,অথচ বৈশাখের কিছুদিন আগেই কারো প্রিয়জনের বিয়ে হয়ে গেছে,আগের বছর কাচের চুড়ি দিতে ভুলে যাওয়া একরকম কান্নার স্বরেই বলেছিলো,সামনের বছর না দিলে কিন্তু কথাই বলবো নাহ!সেসব তার মনে নেই,সে নতুন সংসারে নতুন মুখদের তার ইলিশ রান্নার কারসাজি দেখাতে ব্যাস্ত হয়ে পড়েছে,ইতোমধ্যে সবকিছুর পালা চুকিয়ে সে আপন মনে নিজেকে সাজাতে ব্যাস্ত হয়েও পড়েছে,তার মনে নেই সে একজোড়া চুড়ির কথা যা না পেলে মনে হয়েছিলো সব শেষ,ফিকে,অথচ ছেলেটা সেই চুড়ি কিনেছে,খুব সযত্নে রেখে দিয়েছে নিজের কাছে,বৈশাখের দিনে বের করে সে এক পলকে তাকিয়ে থাকবে সেগুলোর দিকে,কান্নায় জড়িয়ে আসবে তার চোখজোড়া,আর তখনই হয়তো সামনে পড়বে একজোড়া তরুন-তরুনী যারা ছেলেটা চুড়ি কিনে দিতে ভুলে গেছে বলে অনুরাগের সাগরে ভাসছে!!

#বৈশাখের_স্মৃতিচারণ 🌺

সেন্টমার্টিন যাওয়ার সময় 🌹- কাওসার রিপা


ব্যবধান - এইচ এম তানজিমুল ইরফান


আমি ২ ধরণের মানুষ দেখেছে,
দেখেছে রেললাইনের ২টি আলাদা রাস্তা দিয়ে হেটে যেতে,
একজন হাটছিলো কাটায় পরিপূর্ণ নোংরা রাস্তা দিয়ে,
অন্যজন হাটছিলো স্বর্ণে মোড়ানো গোলাপ জল ছিটানো রাস্তা দিয়ে...।

আমি ২ধরণের নারী দেখেছি...
দেখেছি ২টি ভিন্নধর্মী পথে অগ্রসর হতে...।

একজন রোদ এর তাপ হতে ত্বক রক্ষার  জন্য টাকা খরচ করে ছাতা কিনেছিলো,
অন্য জন সেই টাকা উপার্জন এর জন্য প্রচন্ড রোদে তার ত্বক জ্বালাচ্ছিলো...।

আমি ২ধরণের বৃদ্ধ দেখেছি....
দেখেছি জীবন চলায় ২টি আলাদা পথ অবলম্বন করতে...।

একজন তার রেখে যাওয়া জমিদারি দিয়ে শেষ বয়সে রাজার জীবন-যাপন করছিলো,
অন্য জন হাটার শক্তি না থাকা শর্তেও বেচে থাকার আশায় ঔষধ কেনার জন্য রাস্তায় দোড়াচ্ছিলো...।

আমি ২ধরণের পুরুষ দেখেছি....
দেখেছি তাদের শ্রেষ্ট সুখ আর স্পষ্ট কষ্ট গুলোকে...।

একজন তার হাই ক্লাস এসি গাড়ীতে চলতি পথে ঘুমিয়ে পড়ে ছিলো,
অন্য জন প্রচন্ড গরমে রিকশা চালাতে চালাতে মাথা ঘুরে রাস্তার ধারে পড়ে ছিলো...।

আমি ২ ধরণের কিশোর দেখেছি...।
দেখেছি তাদের পৃথিবীটাকে দেখার আলাদা দৃষ্টিভঙ্গি...।

একজন তার স্কুল এর সীমানা হতে ক্লাস না করে পালানোর চেষ্টা করছিলো,
অন্য জন্য রাস্তায় পড়ে থাকা বস্তুু কুড়ানোর সময় স্কুলটির দিকে অসহায় দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিলো....।

আমি আরো কতো কি দেখেছি....

 দেখেছি একজন কে লক্ষ লক্ষ টাকা উড়াতে,
দেখেছি অন্য জন কে সে পড়ে থাকা টাকা কুড়াতে....।

দিনশেষে একজন এর ঘুম হয় না,যদি তার সমস্ত টাকা উড়িয়ে নেয় ঝড়ে!!!
 দেখেছি অন্যজন কে, সে  আগামীকাল বেচে উঠার সপ্ন নিয়ে স্বস্তিতে  ঘুমিয়ে পড়ে....।

ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে! - হৃদয় ভূঁইয়া


লোকেশনঃ মীরসরাই


Poem on 29.03.20 - Saima Pervin


Can you wake up for a day?
This heart longs to go there
And set off to that ship
For a rolling across the sea
 I need you
to sit beside me
to hold me with arms
with a touch of security
I may suddenly feel tears out of joy
And will seek your lap to lie
The mesmerizing  breeze  will surely make my lip to sing
And you are to listen and praise
No hurries will knock us..
We will be two wanderers in that calm sea.
And the magic of His creation
May add a cure to your illness..
Will you wake up for a day..??

ইচ্ছে হলে ভালোবাসিস না হয় থাকিস যেমন থাকে স্নিগ্ধ গাংচিল 🖤🖤 - জাহান ইসরাত

লোকেশন :সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে লঞ্চ থেকে তোলা