কিছু পথ হাটিয়া বাঙালির ঝগড়ার তত্ত্ব পাইয়াছি। আপনাদের সামনে উপস্থাপনের এক ক্ষুদ্র প্রয়াসঃ
বাঙালিরা ঝগড়া শুরু করেন গালি দিয়া..!!
ইহারা স্ত্রী, মাসি, পিসি দিয়া শুরু করিয়া, এর বংশানুক্রমের শেষ অবধি দেখিয়া ছাড়েন।
মানে যতক নিকৃষ্ট গালি দিয়া তাহাকে সর্বোচ্চ পরিমাণে চেতাইয়্যা দেওয়া যায়।
অর্থাৎ ক্রোধ বাড়িয়ে দেওয়া যায়।
স্ত্রী মাসি পিসি কে গঙ্গা জলে স্নান করাইয়্যা, তাহারা এইবার চড়, থাপ্পড়, লাথি, এবং কানের নিচে মারিবেন বলিয়া শুরু করিয়া নাকের বকসি ফাটানোতে গিয়া থামিবেন।
আবার কেউ কেউ এই পর্যায়ে বুলি দিয়া গোপন বিচি ফাটিয়াও থাকেন লাথি মারিয়া।
এরপর হেরে যাওয়া পক্ষ বা তুলনামূলক অত্যাধিক ক্রোধান্বিত পক্ষটি শুরু পুনঃ আরম্ভ করিবেন-
ঠিক কোন পদার্থ দ্বারা শত্রুপক্ষকে আঘাত করিবার কথা বলিলে, এ পর্যায়ে জয় লাভ সম্ভব।
ঝগড়ার এই পর্যায়ে জুতা, সেন্ডেল দিয়া শুরু করিলেও, কিছু বাদে সেই পদার্থ ছিড়িয়া শুরু হয়।
এই যেমন তোরে হাড়া জোতা দি পিডুম, ভাঙ্গা লাডি দি হিডি আঙ্গার করি ফালমু সহ অসংখ্যা উদাহরণ যা এখন আপনার মাথায় ঘুরতেছে।
এরও কিছু বাদে সেই ছেড়া "জুতা, সেন্ডেলে "বিভিন্ন প্রাণীর মলমূত্র মাখিয়া মারিবেন বলিয়া জয়লাভ করিবার চেষ্টা করিয়া থাকেন। শুরুটা থুথু মাখিয়া মারিবেন বলিলেও
মধ্য উপসংহারে শলাবিহিন ঝাড়ু অবধি পৌছায়।
মানে ঠুন্ডা ঝাড়ু মারিবার কথা বলিয়া যে পক্ষ হারিয়া যাইবেন।,
তিনি এবার শুরু করিবেন-
ঠিক কোন কোন জায়গায় কি পদার্থ দিয়া মারিলে, বেশি অপমান বোধ বা ক্রোধ বাড়ানো যায়।
তাহার শেষ দেখিয়া ছাড়িবেন।
বাঙালি নারীরা ঝগড়ার এই পর্যায়ে আসিলে-
অতীতের সকল কীর্তির গোপন রহস্য উন্মোচন করিয়া থাকেন। এই যেমন কার সাথে কোথায় গেলো থেকে শুরু করিয়া বিছানা অবধি এমনকি যাহা ঘটে নাই তাহার চেয়ে অধিক রটাইয়্যা সন্তান পর্যন্ত বাহির করিয়া থাকেন
পক্ষান্তরে পরুষ এই পর্যায় পর্যন্ত আসিলে-
গোপন রহস্য উন্মোচন না করিয়া একে অন্যের কাছে আসিয়া গলাগলিতে লিপ্ত হন।
গলাগলি বলিয়াছি- কারণ ইহাদের মারাপিট কে এই শব্দ ব্যাতিত তুলনা সম্ভবপর নহে।
কারণ তাহারা চট করিয়া কাছেও আসে না, কিছুক্ষণ হাত পা ছোড়াছুড়ি করিবার পরে একে অন্যের বগলে ঢুকিয়া পরেন। এবং সর্বশেষ মাটিতে লুটিয়া পড়েন।
তবে নারী হইলেই একটু বিপদ বহিয়া যায়।
ঝড়ার এ পর্যায়ে চুলোচুলি আসিয়া থাকেন। এবং এর বেশি কিছু হয় না। বরং দিনভর একে অন্যের ইতিহাস বলিয়া ব্যাঙ্গ করিতে থাকেন।
তবে বাঙালি নারীর ঝগড়ার এই স্টেজে একে অন্যের কাপড় খুলিয়া পর্যন্ত লইয়্যা থাকেন।
এই কার্য সম্পাদন না হওয়া অবধি তাহাদের থামাইবার সাধ্য কাহারো নাই।
চুল ছিড়িয়া হাতে লইবার পরেও কাপড়ের কিছু অংশ হাতে লইয়্যা দেহ উন্মোচন এর সাথে কিছু ইজ্জত এক অন্যের হাতে লইয়্যা ক্ষান্ত হন।
এরপরেও
তাহারা বোধ করেন না
ইজ্জত একে অন্যের হাতে লইলেও,
তথাপি দুয়ের ইজ্জত মাটিতে লুটিয়া পড়িয়া রহিয়াছে বাঙালির মতন।
অবশ্যই ভুল ত্রুটি মার্জনিয়
No comments:
Post a Comment