চৌদ্দ'শ ষাট দিন বা তার থেকে একটু বেশি।
সে আমার চেনা ছিলো এখন সে পুরোপুরি অচেনা একটা স্তম্ভ। তার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করে দিয়ে প্রখর রৌদ্রদীপ্ত পিচঢালা পথে কত ক্রোশ হেঁটেছি তার ইয়ত্তা নেই।
তার সাথে আমার দেখা হওয়ার দিনটি ছিলো প্রখর রৌদ্রজ্বল। রৌদ্রস্নান করে বাসার দিকে ফিরতেই চোখ পড়লো সে ছলনাময়ী তথা মেয়েটির উপর। তার পর থেকে আর চোখ ফেরাতে পারিনি কখনো, আমার দু'চোখ আঁটকে গেলো তার কাজল মাখা চোখে। টিপ পরতো মেয়েটা। খুব ভালো শাড়ী পরতে জানতো। টিপ আর শাড়ীতে আমার আজীবনের দুর্বলতা।
এভাবে খুবই রোমান্টিক ভাবে আমাদের সম্পর্কটা হয়েই গেলো, চলছে...চলছে...চলছে। এর মধ্যে চারটা বছর পের হয়ে গেলো হাতের করে গুনে।
মনেই হয়নি চৌদ্দশ' ষাট টা দিন আমরা একে অপরের হয়ে কাটিয়ে দিয়েছিলাম সন্ধ্যাতারা আর চাঁদ দেখে দেখে।
সুখ কাকে বলে? আনন্দ কাকে বলে? এসব আমার থেকেই তালিম নিতো অনেকেই।
সে সুখ হয়তো উপরওয়ালার সহ্য হয়নি, তিনি আমাদের সম্পর্কটা কেন মেনে নিলেন না? কেন হলো এমন? কি দোষ ছিলো আমার? কি ভুল করেছিলাম? আমার ভালবাসায় কি এমন ঘাটতি ছিলো? নাকি ভালবাসতে পারিনি? সে আমাকে না জানিয়ে কেন বিয়ে করলো? কিসের এত ভয় ছিলো? কেন বলতে পারলো না তার পরিবারকে? কেন ভয় পেত? কেন আমার জীবনটা সাগরে ভাসিয়ে দিলো?
সে আর ফিরলো না এই ব্যার্থ মানুষের ভাঙা চিলেকোঠায়। এসে জিজ্ঞেস করলো না কেমন আছো? আমিও এসব প্রশ্নের উত্তর পাইনি এখন অব্দি।
এসব ক'টার উত্তর খুঁজছি বিগত চৌদ্দ'শ ষাট দিন ধরে। উত্তর দিয়ে যাও।
No comments:
Post a Comment