Sunday, April 5, 2020

বলা_হয়নি_ভালোবাসি - রিপন গোপ পিন্টু


#১ম_খন্ড

আমি একটু বেশি অগোছালো।
চলার নাই ঠিক,খাওয়ার নাই ঠিক, নাই ঘুমানোর ঠিক আমি একটু বেশি.. অগোছালো।
চুল দাড়ি কাটিনা আজ প্রায় দুইমাস হয়ে গেলো দেখতে খুব একটা খারাপ দেখা যাচ্ছেনা।
তাই কাটিনা। রাস্তা দিয়ে হাটার সময় অনেকেই অনেক কিছু বলে কিন্তু কারো কথা শোনার সেই সময় নেই। সমাজ থেকে কিছু পাইনি তাই সমাজের কথায় কান না দেয়াই শ্রেয়। তাই কে কি বলল না বলল সেদিকে কর্নপাত করার সেই ইচ্ছেটাও নেই।
অনেকে আবার নেশাখোর ও বলতে ভূল করেনা।
এগুলো শুনতে খুব একটা খারাপ লাগেনা,ভালোই লাগে।।আসলে এখন পর্যন্ত কারো প্রেমে পড়িনি তাই একটু অগোছালোই মনে হয় নিজেকে। কারো সাথে প্রেম ভালোবাসা করার ইচ্ছেও নেই। তবুও মাঝে মাঝে একটু খারাপ লাগে যখন দেখি আরেকটা ফ্রেন্ড তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে দিব্যি ঘুরে বেড়ায়। কিন্তু আমি পারিনা, আর পারবোওবা কিভাবে ওইরকম ভাল লাগার মত কাউকে তো পেলামওনা জীবনে।।।
এই অগোছালো জীবনটাকে মূহুর্তেই শৃঙ্খলার ভিতরে নিয়ে আসা খুব অসম্ভব বললে ভূল হবেনা।অনার্স কমপ্লিট করে মাস্টার্সে ভর্তি হয়ে একটা ছোট জব পেলাম। তেমন প্রয়োজন নেই কারন দুইবেলা মিলে ৪টা টিউশন করতাম তাতে আমার খুব ভালভাবে চলে যেতো। তারপরও শুরু করলাম চাকরিটা খুব ভালোই কাটছিলো। প্রতিদিনের মত একদিন অফিস শেষে গাড়ীতে উঠলাম টিউশনে যাবার জন্য। গাড়ী থেকে নেমে সন্ধ্যার দিকে টিউশনে যাওয়ার জন্য রাস্তা দিয়ে একা হাটছি বই হাতে তখনই অচেনা একটা মেয়ে এসে জিজ্ঞেস করছে আচ্ছা এখানে আশেপাশে কোনো ঔষধের দোকান আছে?
এর আগে মেয়েটাকে এলাকায় কখনো দেখিনি তাই তাকে বললাম আপনার বাড়ী কোথায়? সে বলল এই যে ওই সামনের গলির মোড়ে বিতরে। রাস্তায় কথা বলতে বলতে জানতে পারলাম মেয়েটা এলাকায় থাকেনা ছোটবেলা থেকে শহরে থাকে, বাবা সরকারি চাকুরিজীবি, মেয়েটা এইবার নতুন ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছে। নাম ইরা।
এই যায়গায় দীর্ঘদিন পর আসাতে কোনো কিছু চিনেনা।তার মায়ের ঔষধ কিনার জন্য ঔষধের দোকানের খোজ করল তাকে দোকানে নিয়ে গেলাম এবং ঔষধ কেনার পর বাড়ীর সামনে এগিয়ে দিতে গিয়ে দেখি আমি যে বাড়ীতে প্রাইভেট পড়াতে যাচ্ছি সে বাড়ী। একটু অবাক হলাম....... কারন আমি

চলবে......?

No comments:

Post a Comment